www.agribarta.com:: কৃষকের চোখে বাংলাদেশ

রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো দ্রুত উৎপাদনে ফিরিয়ে আনতে সচিবের আশ্বাস


 এগ্রিবার্তা ডেস্কঃ    ২৮ জুলাই ২০২০, মঙ্গলবার, ১০:৫৫   কৃষি প্রতিষ্ঠান বিভাগ


বহুমুখী পাটপণ্যের বর্তমান বাজার ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার প্রেক্ষিতে পাটপণ্যের উৎপাদন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও পুনর্বিন্যাস করে রাষ্ট্রায়ত্ত মিলগুলো যত দ্রুত সম্ভব আবার উৎপাদনে ফিরিয়ে আনা হবে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টারের (জেডিপিসি) সম্মেলন কক্ষে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোতে বিরাজমান পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান এবং পাট খাতকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম এ কথা জানান। এ সময় বিজেএমসির (বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন) সচিব এ এফ এম এহতেশামুল হক উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সরকারের এ সিদ্ধান্তকে শ্রমিকদের অধিকাংশ এবং সুধী সমাজের পক্ষ হতে সাধুবাদ জানানো হয়েছে। তা সত্ত্বেও কিছু কিছু স্বার্থান্বেষী মহল অসত্য তথ্য প্রচার ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত ব্যাখ্যার মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টির প্রয়াসে লিপ্ত রয়েছে। শ্রমিক আন্দোলন থামানো কিংবা আন্দোলনের অংশ হিসেবে শ্রমিকদের গেট মিটিং পরিচালনা অর্থায়নের জন্য বিজেএমসির কোনো বরাদ্দ নেই এবং এ খাতে কোনো অর্থ ব্যয় করা হয়নি। অনুরূপভাবে সিবিএ কার্যক্রম পরিচালনার জন্যও বিজেএমসি এ পর্যন্ত কোনো অর্থ ব্যয় করেনি।

শ্রমিকদের চাকরির অবসান এবং পাটকল বন্ধ ঘোষণার ক্ষেত্রে শ্রম আইনের সংশ্লিষ্ট সকল বিধান অনুসরণ করা হয়েছে। শ্রমিকদের পাওনার পরিমাণ নির্ধারণ এবং তা পরিশোধের ক্ষেত্রেও যথাযথ আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। শ্রমিকদের চাকরি ১ জুলাই থেকে অবসায়ন করায় শ্রম আইনের বিধান অনুযায়ী ৬০ দিনের অর্থাৎ নোটিশ মেয়াদের মজুরি ছাড়া ওই তারিখের পর তাদের আর কোনো দাবি বা পাওনা নেই। ইতোমধ্যে অর্থ বিভাগ থেকে প্রাপ্ত অর্থ দ্বারা নোটিশ মেয়াদের অর্ধেক, অর্থাৎ ৩০ দিনের মজুরি পরিশোধ করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

এতে আরও জাননো হয়, একই সঙ্গে মিলগুলোকে উপযুক্ত ব্যবস্থায় আধুনিকায়ন ও চালু এবং বিজেএমসির জনবল কাঠামো পরিবর্তিত পরিস্থিতির আলোকে যৌক্তিকীকরণের বিষয়ে সুপারিশ দিতে গঠিত উচ্চ পর্যায়ের ২টি কমিটি ইতোমধ্যেই কার্যক্রম শুরু করেছে।




  এ বিভাগের অন্যান্য