www.agribarta.com:: কৃষকের চোখে বাংলাদেশ
শিরোনাম:

জেলা মৎস্য কর্মকর্তাদের মৎস্য অধিদফতরের চিঠি

মণিপুরী ইলিশের পোনা উৎপাদন করলে ব্যবস্থা


 এগ্রিবার্তা ডেস্কঃ    ১৫ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ১০:৫৯   মৎস্য  বিভাগ


‘মণিপুরী ইলিশ’ নামে একটি মাছের প্রজাতি অন্য দেশ থেকে অবৈধভাবে এদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। কেউ হ্যাচারিতে এই মাছের পোনা উৎপাদন ও চাষ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জেলা মৎস্য কর্মকর্তাদের নির্দেশনাও দিয়েছে মৎস্য অধিদফতর। সম্প্রতি মৎস্য অধিদফতর থেকে দেশের সব জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কাছে এই নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘মণিপুরী ইলিশ’ নামক একটি মাছের প্রজাতি অন্য দেশ থেকে অবৈধভাবে এদেশে অনুপ্রবেশ করেছে ও হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনপূর্বক চাষ হচ্ছে মর্মে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ময়মনসিংহের জেলা মৎস্য দফতর ইতোমধ্যে একটি বেসরকারি হ্যাচারিকে অবৈধভাবে এ মাছের পোনা উৎপাদনের দায়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করেছে।

‘হ্যাচারি আইন ২০১০’ এর ৮ ও ৯নং ধারা মোতাবেক মহাপরিচালক বা তার কাছ থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া কোনো জীবিত মৎস্য, রেণু, পোনা বা পিএল আমদানি এবং পণ্য উত্পাদন করা যাবে না। তাছাড়া ‘মৎস্য সংগনিরোধ আইন, ২০১৮’ এর ৯ ধারা মোতাবেক আমদানির অনুমতিপত্র ছাড়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কোনো মৎস্য, মৎস্য পণ্য, উপকারী জীবাণু বা প্যাকিং ইত্যাদি দ্রব্যাদি আমদানি করতে পারবে না বলে বিধান রয়েছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

তাই কোনো হ্যাচারিতে এ মাছের পোনা উৎপাদন করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং কোনো পুকুরে এই মাছের চাষ যেন সম্প্রসারিত না হয় সে বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা মৎস্য কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা গেছে, ঝিনাইদহের মহেশপুরে মণিপুরী ইলিশের চাষ শুরু হয়েছে। মাছটি দেখতে মাথার অংশ ইলিশের মতো আর পেছনের অংশ পুটি মাছের মতো। কিন্তু স্বাদ ও গন্ধে পুরোটাই ইলিশ। অনেকে মাছটিকে ‘পেংবা’ বলেও চেনেন। তবে ভারতের মণিপুরী রাজ্যে এ মাছের চাষ হওয়ায় এটা ‘মণিপুরী ইলিশ’ হিসেবে পরিচিত।




  এ বিভাগের অন্যান্য