২৫ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
কৃষি

যমুনার তীরে সাথী ফসলের চাষে কৃষকের আশার আলো

এগ্রিবার্তা ডেস্ক ১ জানুয়ারি ২০২৫ · ৩ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
যমুনার তীরে সাথী ফসলের চাষে কৃষকের আশার আলো

বগুড়ার যমুনা নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলোতে চলতি মৌসুমে সাথী ফসলের ব্যাপক চাষ হয়েছে। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় দিন দিন এই ফসল চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকেরা। বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, সাথী ফসল চাষে কৃষকের লাভের পরিমাণ অন্যান্য ফসলের তুলনায় বেশি।

সারিয়াকান্দী উপজেলার বোহাইল চর, আওলাকান্দী চর, ধারাবর্ষা চর, কাজলা চর এবং ধুনট উপজেলার শহড়াবাড়ী, শিমুলবাড়ী, বানিয়ানসহ যমুনার তীরবর্তী অঞ্চলজুড়ে এখন মাঠে মাঠে দেখা মিলছে সাথী ফসলের।

একই জমিতে বেগুন, মরিচ, ধনে পাতা, কালোজিরা, এবং তিল চাষ হচ্ছে। পাশাপাশি ক্ষেতের আইলে কেউ কেউ লাউ, পেঁপে ও সরিষার চাষও করেছেন। প্রতিদিনই কৃষকেরা জমি থেকে ফসল তুলে বাজারে বিক্রি করছেন।

শিমুলবাড়ী গ্রামের কৃষক ময়নুল হাসান জানান, এক বিঘা জমিতে তিনি সাথী ফসল চাষ করেছেন। বেগুনের সঙ্গে মুলা, শলুক, ধনে পাতা এবং পালং শাক চাষ করে এ পর্যন্ত তিনি এক লাখ ত্রিশ হাজার টাকার বেগুন বিক্রি করেছেন। বাকি ফসল থেকেও ভালো মুনাফা পেয়েছেন।

বানিয়াজান গ্রামের আরেক কৃষক খলিল আকন্দ বলেন, তিনি দেড় বিঘা জমিতে আখ চাষের পাশাপাশি বেগুন, শলুক, ধনে পাতা এবং লাল শাক চাষ করেছেন। শুধু বেগুন বিক্রি করেই তিনি এখন পর্যন্ত এক লাখ ত্রিশ হাজার টাকা আয় করেছেন।

বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. মতলুবুর রহমান বলেন, সাথী ফসল চাষে খরচ কম ও লাভ বেশি হওয়ায় কৃষকেরা এ পদ্ধতিতে চাষে উৎসাহিত হচ্ছেন। কলার বাগানে আদা, বেগুনের জমিতে পালং শাক এবং ধানের জমিতে সরিষা বপন করে কৃষকেরা অধিক লাভবান হচ্ছেন।

যদিও সাথী ফসল চাষের সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান নেই, তবে আগামী মৌসুম থেকে এ তথ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।