২৬ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
কৃষি

কমেছে কৃষিঋণ বিতরণ, এখনো শুরুই করেনি চার ব্যাংক

এগ্রিবার্তা ডেস্ক ৬ জানুয়ারি ২০২৫ · ৩ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
কমেছে কৃষিঋণ বিতরণ, এখনো শুরুই করেনি চার ব্যাংক

ছাত্র আন্দোলন, আর্থিক খাতের অস্থিরতা, এবং সরকারের নানা পদক্ষেপের ফলে ব্যাংকিং খাতের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়েছে। ব্যাংকিং খাতের স্থবিরতার প্রভাব পড়েছে কৃষি খাতেও। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে কৃষিঋণ বিতরণ আশঙ্কাজনক হারে কমে গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাসে কৃষিঋণ বিতরণ হয়েছে ১৩,০৮১ কোটি টাকা, যা পুরো বছরের লক্ষ্যমাত্রার ৩৪.৪২ শতাংশ। গত অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার ৪৩.৬৬ শতাংশ ঋণ বিতরণ সম্ভব হয়েছিল। এ বছরের জন্য লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৮,০০০ কোটি টাকা। তবে জুলাই-নভেম্বরের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা থেকে ২,৭৫২ কোটি টাকা কম ঋণ বিতরণ হয়েছে।

সরকার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি খাতে ঋণ বিতরণকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের ২ শতাংশ কৃষি খাতে বিতরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ২০১০-১১ অর্থবছরে যেখানে কৃষিঋণ বিতরণ ছিল ৯,০০০ কোটি টাকা, সেখানে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা বেড়ে ৩৮,০০০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। কৃষিঋণের সুদ হার অন্যান্য ঋণের তুলনায় কমপক্ষে এক শতাংশ কম রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নিশ্চিত করতে কঠোর পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালু করেছে। কোনো ব্যাংক লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হলে, তার অনর্জিত ঋণের নির্দিষ্ট অংশ কেটে কৃষকদের ঋণ হিসেবে বিতরণ করা হবে। এছাড়া, পল্লী অঞ্চলে শাখাবিহীন ব্যাংকগুলোর জন্য এনজিও লিংকেজের মাধ্যমে ঋণ বিতরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এনজিওগুলো ব্যাংক থেকে নির্ধারিত সুদ হারে ঋণ নিয়ে কৃষকদের সর্বোচ্চ ২২ শতাংশ সুদে ঋণ বিতরণ করে। মোট কৃষিঋণের এক-তৃতীয়াংশ এনজিওর মাধ্যমে বিতরণ করা হয়, যা চলতি অর্থবছরে প্রায় ১৩,০০০ কোটি টাকা।

এ বছরের প্রথম পাঁচ মাসে চারটি ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এনএ, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন, উরি ব্যাংক, এবং পদ্মা ব্যাংক পিএলসি কোনো কৃষিঋণ বিতরণ করেনি।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।