২৬ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
কৃষি

মুন্সীগঞ্জে সূর্যমুখী চাষে আগ্রহ কম

এগ্রিবার্তা ডেস্ক ২১ জানুয়ারি ২০২৫ · ৩ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
মুন্সীগঞ্জে সূর্যমুখী চাষে আগ্রহ কম

মুন্সীগঞ্জ আলুর জন্য প্রসিদ্ধ হলেও সূর্যমুখীর চাষ তেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে না। এখানকার মাটি ও আবহাওয়া সূর্যমুখী চাষের জন্য উপযোগী হলেও কৃষকদের মধ্যে আগ্রহের অভাব রয়েছে। কৃষি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কম খরচ ও সময় ব্যয়ে সূর্যমুখী চাষ করে লাভবান হওয়া সম্ভব।

জেলা কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর আলুর আবাদ হয়েছে ৩৪ হাজার ৩৫৫ হেক্টর জমিতে। এ বছর আলুর লক্ষ্যমাত্রা ৩৪ হাজার ৬৫৫ হেক্টর হলেও অর্জন হয়েছে ৩৪ হাজার ৭৫৮ হেক্টর। সূর্যমুখীর চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৩৮ হেক্টর এবং সেটি অর্জিতও হয়েছে।

কৃষি বিভাগ স্থানীয় কৃষকদের সূর্যমুখী চাষে উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। ২ শত কৃষককে ১ কেজি সূর্যমুখী বীজ ও ২০ কেজি সার বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়েছে।

সূর্যমুখী চাষে বিঘা প্রতি খরচ হয় ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা, যেখানে উৎপাদিত বীজ বিক্রি হয় ১৬ থেকে ২০ হাজার টাকায়। ৯০ থেকে ১০৫ দিনের মধ্যে বীজ সংগ্রহ করা যায়।

জেলার আদারা, চর সৈয়দপুর, বাংলাবাজার, শ্রীনগরের বীরতারা ও অন্যান্য এলাকায় সূর্যমুখীর চাষ করা হয়েছে। কৃষকরা জানান, কৃষি অফিসের সহযোগিতায় তারা ভালো ফলন পেয়েছেন এবং অনেক মানুষ সূর্যমুখী ক্ষেত দেখতে এসে ছবি তুলছেন, যা তাদের আনন্দ দেয়।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ বিপ্লব কুমার মোহন্ত বলেন, সূর্যমুখীর চাষ সহজ এবং এতে রোগবালাই কম। সূর্যমুখীর খৈল গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে এবং গাছ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়। সরিষা ও সূর্যমুখী চাষের মাধ্যমে তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন বাড়াতে কাজ করছে কৃষি বিভাগ।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।