২৬ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
কৃষি

সাঁথিয়ার কৃষক নান্নুর পেঁপে চাষে সাফল্য

এগ্রিবার্তা ডেস্ক ২৫ জানুয়ারি ২০২৫ · ৩ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
সাঁথিয়ার কৃষক নান্নুর পেঁপে চাষে সাফল্য

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার করমজা ইউনিয়নের পূর্বপাড়া গ্রামের বাসিন্দা নান্নু মিয়া, একজন সফল ও পরিশ্রমী কৃষক। স্ত্রী ঝর্ণা খাতুন ও দুই ছেলেকে নিয়ে তিনি সুখী জীবনযাপন করছেন। বড় ছেলের বয়স ১৫ বছর, যিনি সপ্তম শ্রেণিতে পড়ছেন। ছোট ছেলের বয়স ছয়, যিনি এখনও স্কুলে ভর্তি হয়নি। কৃষিকাজ ছাড়াও জমি লিজ দেওয়ার ব্যবসায়ও যুক্ত নান্নু মিয়া।

সম্প্রতি তিনি আধুনিক পদ্ধতিতে টপলেডি জাতের পেঁপে চাষ করে ব্যতিক্রমী সফলতা অর্জন করেছেন। জানা গেছে, পল্লীকর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এবং প্রোগ্রামস ফর পিপলস ডেভেলপমেন্ট (পিপিডি)-এর আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় নান্নু মিয়াকে উচ্চমূল্যের ফল ও সবজি চাষে উৎসাহিত করা হয়। পিপিডির সমন্বিত কৃষি ইউনিটের কর্মকর্তাদের পরামর্শে তিনি প্রথমে করমজা পূর্বপাড়া মহিলা সমিতিতে নাম লেখান এবং দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

এরপর তাঁকে উন্নতমানের টপলেডি জাতের ৩০০টি চারা, জৈব ও রাসায়নিক সার, জৈব বালাইনাশকসহ চাষাবাদের সব উপকরণ সরবরাহ করা হয়। পাশাপাশি তিনি সাথি ফসল হিসেবে পুঁইশাক চাষ করেন। চাষের খরচ হয় প্রায় ৪০ হাজার টাকা। পাকা পেঁপে এবং সাথি ফসল মিলিয়ে বাজার থেকে তিনি আয় করেন দুই লাখ পাঁচ হাজার টাকা। ফলে তাঁর মোট লাভ হয় এক লাখ ৬৫ হাজার টাকা।

নান্নু মিয়া বলেন, ‘আগে কখনও এমন উচ্চমূল্যের ফসল চাষ করিনি। টপলেডি জাতের পেঁপে দ্রুত ফল দেয় এবং এর বাজার মূল্য খুবই ভালো।’

পিপিডির কৃষি কর্মকর্তা অনুপ কুমার ঘোষ জানান, ‘করমজার কৃষকরা বর্তমানে টপলেডি জাতের পেঁপে চাষে উৎসাহিত হচ্ছেন। এই জাতের পেঁপে শুধু সবজি নয়, পাকা ফল হিসেবেও প্রচুর চাহিদা রয়েছে। আমরা কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ প্রদান করছি।’

এভাবে নান্নু মিয়ার মতো অন্যান্য কৃষকেরাও উন্নত প্রশিক্ষণ ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটাচ্ছেন।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।