কৃষিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করছে যে দেশগুলো
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) কৃষিক্ষেত্রে দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে। এটি ফসল উৎপাদন, খরচ কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় নতুন সুযোগ তৈরি করছে। অনেক দেশ এখন কৃষিতে এইআই ব্যবহার করছে।
যুক্তরাষ্ট্র
প্রিসিশন ফার্মিং বা নির্ভুল কৃষিতে সবচেয়ে অগ্রণী।
এআই সেন্সর, ড্রোন, স্যাটেলাইট ডেটা দিয়ে জমির প্রতিটি ইঞ্চি পর্যবেক্ষণ করে পানি, সার, কীটনাশক ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়।
John Deere ও IBM-এর মতো কোম্পানির এআই প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।
ভারত
বিপুল কৃষকসংখ্যার জন্য এআই-ভিত্তিক পরামর্শ অ্যাপ (Krish-e, Kisan Sarathi) চালু।
ফসলের রোগ শনাক্তকরণ, আবহাওয়ার ঝুঁকি পূর্বাভাস ও বাজারমূল্য বিশ্লেষণে এআই ব্যবহৃত হচ্ছে।
সরকারি সংস্থা ICAR এআই গবেষণা ও কৃষকদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।
চীন
এআই-চালিত ড্রোন দিয়ে স্প্রে করা, ফসলের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ এবং স্বয়ংক্রিয় হারভেস্টিং করছে।
Alibaba ও Baidu-এর মতো প্রযুক্তি কোম্পানি কৃষি ডেটা বিশ্লেষণে এআই ব্যবহার করছে।
“স্মার্ট গ্রীনহাউস” প্রকল্পে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করে ফলন বাড়ানো হচ্ছে।
নেদারল্যান্ডস
ক্ষুদ্র জমিতে সর্বোচ্চ উৎপাদনের জন্য এআই-চালিত গ্রীনহাউস সিস্টেম ব্যবহার করছে।
সেন্সর ও মেশিন লার্নিং দিয়ে স্বয়ংক্রিয় পানি ও সার সরবরাহ হয়।
ইউরোপে সবচেয়ে প্রযুক্তি-নির্ভর কৃষি ব্যবস্থা এখানেই।
ইসরায়েল
শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে পানি সাশ্রয়ী স্মার্ট সেচ (AI-based irrigation) প্রযুক্তিতে বিশ্বনেতা।
এআই স্যাটেলাইট ইমেজিং দিয়ে মাটির আর্দ্রতা ও ফসলের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করছে।
অনেক দেশে ইসরায়েলি এআই কৃষি প্রযুক্তি রপ্তানি করা হচ্ছে।
আফ্রিকার কিছু দেশ (কেনিয়া, ঘানা)
এআই অ্যাপ ব্যবহার করে কৃষকরা ফসলের রোগের ছবি তুলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা পরামর্শ পাচ্ছে।
স্যাটেলাইট ডেটা দিয়ে খরা ও বন্যার পূর্বাভাস দেওয়া হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক সংস্থা (FAO, World Bank) এ প্রযুক্তি সরবরাহ করছে।
এগ্রিবার্তা ডেস্ক
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।