১৪ অক্টোবর ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
ক্যাম্পাস

‘সরকার শিক্ষা খাতে জিডিপির পাঁচ ভাগ বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নিয়েছে’- ইউজিসি সদস্য ড. মাছুমা হাবিব

মুসাদ্দিকুল ইসলাম তানভীর ১৪ অক্টোবর ২০২৬ · ৪ মিনিট পড়ার সময় · ৪ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
‘সরকার শিক্ষা খাতে জিডিপির পাঁচ ভাগ বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নিয়েছে’- ইউজিসি সদস্য ড. মাছুমা হাবিব

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। এই প্রথম একটি সরকার শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে দেশের মোট জিডিপির পাঁচ ভাগ বরাদ্দের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতিমধ্যেই সরকার জিডিপির দুইভাগ বরাদ্দ দিয়েছে। আমাদের লক্ষ্য প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের পর্যায়ে গড়ে তোলা এবং সেলক্ষ্যে ইউজিসি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দক্ষ জনবল তৈরীর জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।


বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের ৩০তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বুধবার দুপুরে ২ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়(বাকৃবি) এর গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিং ইন্সটিটিউটে (জিটিআই) প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। 

ড. মাছুমা হাবিব আরও বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল উপাদান ছাত্র, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী। তাই পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সম্মান বজায় রেখে ছাত্র-শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর মাঝে সেতুবন্ধন রচিত করে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে৷ প্রশিক্ষণ সমাপ্তকারী কর্মকর্তাদের পেশাগত উৎকর্ষ সাধনে এই প্রশিক্ষণ কাজে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

জিটিআই-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. বেনতুল মাওয়ার সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য  অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অনুষদের ডিন ও ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান ও রেজিস্ট্রার ড. মো: হেলাল উদ্দীন।

প্রধান পৃষ্ঠপোষকের বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, প্রশিক্ষণ সমাপ্তকারী সকল কর্মকর্তাদেরকে অভিনন্দন জানাই। এই প্রশিক্ষণের মডিউলে অন্তর্ভুক্ত  বিষয়াবলী অত্যন্ত যৌক্তিক ও গুরুত্বপূর্ণ। এখানে প্রশিক্ষকবৃন্দও অনেক অভিজ্ঞ ও দক্ষ।  আশা করা যায়, প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা  কর্মকর্তাবৃন্দ নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সুনাম বৃদ্ধি করবে।

এরপর প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে সনদ ও ক্রেষ্ট  বিতরন করা হয়। একই সাথে প্রশিক্ষণের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ২০ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই প্রশিক্ষণ কোর্সে বাংলাদেশের ২৫ টি  বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন ।


মুসাদ্দিকুল ইসলাম তানভীর

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।