২১ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
কৃষি

টানা বৃষ্টিতে খুলনায় তলিয়ে গেছে ধানখেত

এগ্রিবার্তা ডেস্ক: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ · ৩ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
টানা বৃষ্টিতে খুলনায় তলিয়ে গেছে ধানখেত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপটি স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে খুলনায় দুই দিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে। এতে নগরে জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হচ্ছেন না কেউ।

এ ছাড়া অতিবৃষ্টিতে বিভিন্ন উপজেলার বিলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও আমন ধানের খেত পানিতে তলিয়ে গেছে। জোয়ারে নদীতে বেড়েছে পানির উচ্চতা। এতে আতঙ্কে রয়েছেন উপকূলের মানুষ।

খুলনা আবহাওয়া কার্যালয়ের তথ্যানুযায়ী, বৃষ্টি শুরু হয় মূলত গত শুক্রবার বিকেল থেকে। ওই দিন ভারী ও মাঝারি আকারে বৃষ্টি হয়েছে। তবে মাঝারি আকারের একটানা বৃষ্টি শুরু হয়েছে গতকাল শনিবার দুপুর থেকে। থেমে থেমে সেই বৃষ্টি এখনো চলছে। গতকাল সকাল ৬টা থেকে আজ রোববার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ৬৪ মিলিমিটার। আর আজ সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৬ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ৩৯ মিলিমিটার। এর আগে শুক্রবার বিকেল থেকে গতকাল সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ৮০ মিলিমিটার। গত দুই দিনে বাতাসের গতিবেগ ছিল ১৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত।

বিভিন্ন উপজেলায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অতিবৃষ্টির কারণে খাল-বিলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে সদ্য রোপণ করা আমন ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়লে ধানের খেত টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে যাবে বলে মনে করছেন কৃষকেরা।

পাইকগাছা উপজেলার গড়াইখালী ইউনিয়নের কুমখারী গ্রামটি শিবসা নদীর পাড়ে অবস্থিত। ওই গ্রামের শান্ত কুমার মণ্ডল বলেন, শিবসা নদীতে জোয়ারে পানির উচ্চতা অনেক বেড়েছে। দুই দিন ধরেই কখনো ভারী, কখনো মাঝারি, আবার কখনো গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছেই। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাতাসের বেগ। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে শিবসা নদীর খুদখালী এলাকার ঝুকিপূর্ণ নদীর বাঁধ যেকোনো সময় ভেঙে যেতে পারে। এ কারণে আতঙ্কে রয়েছেন এলাকাবাসী। জোয়ারের পানি কমে গেলে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ মেরামতের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাঁরা।

টানা বৃষ্টিতে ৫ হাজার ৫০০ হেক্টর আমন ধানের খেত পানিতে ডুবে গেছে। ২ হাজার ৩৮৫ হেক্টর জমির শাকসবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ডুমুরিয়া ও বটিয়াঘাটা উপজেলায়।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক:

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।