২১ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
ক্যাম্পাস

বাকৃবি এবং ম্যাভেরিক ইনোভেশনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

এগ্রিবার্তা ডেস্ক: ৮ অক্টোবর ২০২৪ · ৪ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
বাকৃবি এবং ম্যাভেরিক ইনোভেশনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) এবং ম্যাভেরিক ইনোভেশনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

ময়মনসিংহ, ৭ অক্টোবর: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) এবং ম্যাভেরিক ইনোভেশনের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। সোমবার পশুপালন অনুষদের ডিন অফিসের সম্মেলন কক্ষে পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের আয়োজনে এই স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউজিসি অধ্যাপক ড. সচ্চিদানন্দ দাস চৌধুরী, ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. খন্দকার মো. মোস্তাফিজুর রহমান, ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শহীদুল হক, পশুপালন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন, বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের পরিচালক (বাউরেস) অধ্যাপক ড. এম. হাম্মাদুর রহমান, এবং রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন। ম্যাভেরিক ইনোভেশনের সিইও ড. কবির চৌধুরীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. বাপন দে।

স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাকৃবির পক্ষে স্বাক্ষর করেন রেজিস্ট্রার ড. মো. হেলাল উদ্দীন, বাউরেসের পরিচালক অধ্যাপক ড. এম. হাম্মাদুর রহমান এবং পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. বাপন দে। ম্যাভেরিক ইনোভেশনের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কোম্পানির সিইও ড. কবির চৌধুরী ও পোল্ট্রি ইনোভেশন বিভাগের প্রধান অংকন লাহেরী।

এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বাকৃবি এবং ম্যাভেরিক ইনোভেশন যৌথভাবে গবেষণা ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগ তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, "এই সমঝোতা স্মারক গবেষণা এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। আমাদের পোল্ট্রি শিল্পের আধুনিকায়নে গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এই সমঝোতা সেই প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত করবে।"

তিনি আরও বলেন, "মার্কেটিং পর্যায়ে আমাদের গবেষণা বাড়াতে হবে। খামারিদের উৎপাদিত পণ্য নষ্ট হওয়ার সমস্যার সমাধান খুঁজতে হবে যাতে তারা উৎপাদনে আগ্রহ হারায় না। এই চুক্তি নতুন উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগও উন্মোচন করবে।"

এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে গবেষক ও শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে এবং পোল্ট্রি শিল্পে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক:

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।