২১ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
ক্যাম্পাস

বাকৃবিতে গত ১৫ বছরে নির্যাতিত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ আহ্বান

এগ্রিবার্তা ডেস্ক: ১০ অক্টোবর ২০২৪ · ৪ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
বাকৃবিতে গত ১৫ বছরে নির্যাতিত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ আহ্বান

ময়মনসিংহ, বুধবার: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) গত ১৫ বছরের নির্যাতন, যৌন হয়রানি, র‌্যাগিং, গেস্ট রুমে নির্যাতন, সিট বাণিজ্য এবং চাঁদাবাজির বিচার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। বুধবার (৯ অক্টোবর) থেকে শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত ফরম পূরণের মাধ্যমে তাদের অভিযোগ দায়ের করতে পারবে, আর আগামীকাল (১০ অক্টোবর) থেকে অনলাইনে অভিযোগ করার সুযোগ থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিশনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের ন্যায়বিচারের আশ্বাস দিয়ে অভিযোগ কার্যক্রমে সহযোগিতা কামনা করে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০০৮ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, যৌন হয়রানি, র‌্যাগিং, গেস্ট রুমে নির্যাতন, সিট বাণিজ্য এবং চাঁদাবাজির মতো অপরাধের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ দায়ের করার আহ্বান জানানো হয়েছে। অভিযোগগুলি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে অনলাইন ফরম পূরণ করে, হাতে লিখে বা অভিযোগ বাক্সে জমা দিয়ে দায়ের করা যাবে।

তদন্ত কমিশন অভিযোগকারীদের পরিচয় ও গোপনীয়তা রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অভিযোগ দায়েরের শেষ তারিখ ১০ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ করা হবে, যার মধ্যে ছাত্রত্ব বাতিল, বহিষ্কার কিংবা প্রয়োজনে ফৌজদারি মামলার সুপারিশ থাকবে বলে জানান কমিশনের সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার।

তদন্ত কমিশন জানিয়েছে, সাবেক শিক্ষার্থীরাও অনলাইনে তাদের অভিযোগ দায়ের করতে পারবেন এবং অপরাধী প্রাক্তন শিক্ষার্থী হলে তার সার্টিফিকেট বাতিলসহ কর্মক্ষেত্রে নোটিশ পাঠানো হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বুধবার প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় অভিযোগ বাক্সের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তদন্ত কমিশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান, সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার, ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম।

প্রসঙ্গত, গত ২২ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমানকে সভাপতি এবং অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকারকে সদস্য সচিব করে ২৬ সদস্যের গণতদন্ত কমিশন গঠন করা হয়।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক:

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।