লাল তীর সিড শুরু করছে গম উৎপাদন প্রকল্প
লাল তীর সিড লিমিটেড উপকূলীয় অঞ্চলের লবনাক্ত জমির জন্য নতুন জাতের গম উৎপাদনের একটি প্রকল্প শুরু করেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ গম উৎপাদনে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। সুইডেনভিত্তিক অলসআরো ক্রপ বায়োটেকের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা বুধবার রাজধানীর হোটেল লেকশোরে অনুষ্ঠিত হয়।
চুক্তির অনুষ্ঠানে লাল তীর সিডের চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টুর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অলসআরো ক্রপ বায়োটেকের প্রধান নির্বাহী ড. সোফিয়া স্ট্রোম। অনুষ্ঠানে সুইডেনের লুন্ড ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ওল্ফ ওলসন এবং গোথেনবার্গ ইউনিভার্সিটির প্রফেসর হেনরিক অ্যারনসনও উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আব্দুল আউয়াল মিন্টু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে লবণাক্ততা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার বৃদ্ধির ফলে বিভিন্ন ফসলের বৈচিত্র্য বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “এই বিষয়টি কৃষক থেকে শুরু করে সরকারের উচ্চ পর্যায় পর্যন্ত গুরুত্ব সহকারে নেওয়া উচিত, যা ভবিষ্যতের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য সহায়ক হবে।”
বর্তমানে ধান ও ভুট্টার পর গম বাংলাদেশের তৃতীয় প্রধান শস্য। দেশে বছরে গমের চাহিদা ৬.৭ মিলিয়ন মেট্রিক টন, যার মধ্যে মাত্র ১.১৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন দেশীয় উৎপাদন থেকে আসে। ফলে ৫.৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন গম আমদানি করতে হয়।
গম চাষের জমি বাড়ানোর পথে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে, বিশেষ করে শীতকালীন ফসল হিসেবে গম চাষে জমির প্রতিযোগিতা। তবে দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চলে বর্ষাকালে বৃষ্টি-নির্ভর রোপা আমন চাষ হয় এবং শীতকালে লবনাক্ততার কারণে অনেক জমি পতিত থাকে, তাই সেখানে গম চাষ একটি সম্ভাবনা হতে পারে।
এগ্রিবার্তা ডেস্ক
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।