২২ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
কৃষি

শীতের সবজি চাষের সময় এসেছে এখন!

এগ্রিবার্তা ডেস্ক ২৩ অক্টোবর ২০২৪ · ৩ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
শীতের সবজি চাষের সময় এসেছে এখন!

কার্তিক মাস হচ্ছে বর্ষা ও শীতের মিলনের সময়, যা বাংলাদেশের কৃষি ও প্রকৃতি দেখার জন্য অন্যতম সুন্দর সময়। এই মাসে শীতকালীন শাক-সবজি চাষের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার উপযুক্ত সময়। আসুন জেনে নিই কার্তিক মাসে কোন কোন শাক-সবজি চাষ করা উচিত।

শাক-সবজি
এখনই উন্নত জাতের দেশি ও বিদেশি ফুলকপি, বাঁধাকপি, ওলকপি, শালগম, বাটিশাক, টমেটো এবং বেগুনের চারা উৎপাদনের জন্য বীজ বপন করা জরুরি। যদি গত মাসে চারা উৎপাদন করে থাকেন, তাহলে মূল জমিতে চারা রোপণ করতে পারেন।

মাটিতে জোঁ আসার সাথে সাথে শীতকালীন শাক-সবজি রোপণ করতে হবে। এই মাসে হঠাৎ বৃষ্টির কারণে রোপণ করা শাক-সবজির চারা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাই পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা উচিত। রোপণের পর আগাছা পরিষ্কার, সার প্রয়োগ এবং সেচসহ প্রয়োজনীয় পরিচর্যা করতে হবে। এ সময় লালশাক, মুলাশাক, গাজর এবং মটরশুঁটির বীজও বপন করা যেতে পারে।

গোল আলু
গোল আলুর জন্য জমি তৈরি ও বীজ বপনের উপযুক্ত সময় এখন। হালকা মাটি অর্থাৎ বেলে দোআঁশ মাটি আলু চাষের জন্য সবচেয়ে ভালো। বারি উদ্ভাবিত আগাম জাত ও উচ্চফলনশীল জাত নির্বাচন করা প্রয়োজন।

প্রতি একর জমিতে ৬০০ কেজি বীজ আলুর প্রয়োজন হয়। আলু চাষে ১৩০ কেজি ইউরিয়া, ৯০ কেজি টিএসপি, ১০০ কেজি এমওপি, ৬০ কেজি জিপসাম এবং ৬ কেজি দস্তা সার লাগবে। তবে সারগুলো জমির অবস্থার ওপর নির্ভর করে কমবেশি হতে পারে। একরপ্রতি ৪-৫ টন জৈবসার ব্যবহার করলে ফলন বৃদ্ধি পায়।

আলু উৎপাদনের জন্য আগাছা পরিষ্কার, সেচ, সারের প্রয়োগ, মাটি আলগা করা এবং মালচিং করা আবশ্যক। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর বিনা চাষে মালচিং দিয়ে আলু আবাদ করা যায়।

মিষ্টিআলু

নদীর ধারে পলি মাটিযুক্ত জমি এবং বেলে দোআঁশ মাটিতে মিষ্টিআলু ভালো ফলন দেয়। আধুনিক জাতগুলোর মধ্যে কমলাসুন্দরী, বারি মিষ্টিআলু-১২ থেকে ১৭ উল্লেখযোগ্য। প্রতি বিঘা জমির জন্য ৩ গিঁটযুক্ত ২২৫০-২৫০০ খণ্ড লতা প্রয়োজন হয়। বিঘাপ্রতি ৪-৫ টন গোবর বা জৈবসার এবং সার প্রয়োগ করতে হবে।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।