২২ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
কৃষি

১২,০০০ কৃষককে শীতকালীন সবজি চাষের সহায়তা

এগ্রিবার্তা ডেস্ক ২৭ অক্টোবর ২০২৪ · ৪ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
১২,০০০ কৃষককে শীতকালীন সবজি চাষের সহায়তা

কক্সবাজারে অতিবৃষ্টি, বন্যা এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে হাজারো কৃষকের শীতকালীন সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেওয়ার জন্য জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর খরিপ-২ মৌসুমে ৯ উপজেলার ১২ হাজার কৃষককে শীতকালীন সবজি চাষের জন্য বীজ, সার এবং নগদ অর্থ সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে। এই সহায়তার মাধ্যমে কৃষকদের কিছুটা স্বস্তি মিলবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চকরিয়া থেকে ৩,৫০০, পেকুয়া থেকে ২,০০০, সদর থেকে ১,৫০০, রামু থেকে ১,৫০০, টেকনাফ থেকে ১,০০০, মহেশখালী থেকে ১,০০০, ঈদগাঁও থেকে ৫০০, কুতুবদিয়া থেকে ৫০০ এবং উখিয়া থেকে ৫০০ কৃষককে এই বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া হবে। আট ধরনের শীতকালীন সবজি—টমেটো, মিষ্টি কুমড়া, লাউ, মরিচ, ব্রকলি, বেগুন, ফুলকপি ও বাঁধাকপি—এর বীজ বিতরণ করা হবে। প্রতিটি উপকারভোগী কৃষককে এক বিঘা জমির জন্য উপকরণ ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে এক হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।

জেলায় এই প্রণোদনা কার্যক্রম বাস্তবায়নে মোট তিন কোটি ৮৬ লাখ ৪১ হাজার ২০০ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক ড. বিমল কুমার প্রামাণিক। তিনি বলেন, “বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য আমরা নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আশা করছি, কৃষকরা এই প্রণোদনার মাধ্যমে তাদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন।”

উপকারভোগীদের তালিকা প্রণয়নের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বনের জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে এক পরিবার থেকে একাধিক ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত না হন।

উখিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন জানান, “উপকারভোগীদের তালিকা প্রস্তুতির কাজ চলছে এবং শিগগিরই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে প্রণোদনা বিতরণ করা হবে।”

টেকনাফ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাকিরুল ইসলাম বলেন, “প্রণোদনার পাশাপাশি শীতকালীন সবজি রোপণের সময় উপকারভোগীদের সার্বিক সহায়তা প্রদান করা হবে।”

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবারের বন্যায় দেশের ২৭ জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে কক্সবাজারসহ ২৩টি জেলার ফসল নষ্ট হয়েছে। এবারের বন্যায় মোট তিন লাখ ৭২ হাজার ৭৩৩ হেক্টর জমির মধ্যে দুই লাখ ৮ হাজার ৫৭৩ হেক্টর ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।