২৩ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
কৃষি

চট্টগ্রামে বিভিন্ন দেশের পেঁয়াজ আসছে বাজারে

এগ্রিবার্তা ডেস্ক ৮ নভেম্বর ২০২৪ · ৪ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
চট্টগ্রামে বিভিন্ন দেশের পেঁয়াজ আসছে বাজারে

চট্টগ্রামে কমদামি পেঁয়াজের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে বাদামি রঙের বড় আকারের চীনা পেঁয়াজ খুচরায় ৬৫-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আগে খাবারের হোটেলগুলো এই পেঁয়াজ বেশি কিনলেও এখন গৃহস্থরাও ক্রয় করছেন। পেঁয়াজের বিভিন্ন আকারের মধ্যে ছোট আকারের পেঁয়াজের দাম কম হওয়ায় মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের মধ্যে এর চাহিদা বেশি।

গত বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) নগরের ডিসি হিল এলাকায় আবদুর রহিম তিন ধরনের পেঁয়াজ ও আদা-রসুন বিক্রি করছিলেন। দেশি পেঁয়াজের দাম ১৪৫ টাকা প্রতি কেজি, ভারতের পেঁয়াজ ১০৫ টাকা, এবং সাদা পেঁয়াজ ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তিনি জানান, মানুষ সস্তায় পেঁয়াজ খুঁজছেন। চট্টগ্রামের মানুষের মধ্যে ভারতীয় পেঁয়াজের জনপ্রিয়তা থাকলেও দাম বেড়ে যাওয়ার পর বিক্রি কমেছে।

গৃহিণী তাসলিমা আকতার বলেন, দোকানে পেঁয়াজের দাম বেশি, কিন্তু ফুটপাতে বা রিকশাভ্যানে কিছুটা কম দামে পাওয়া যাচ্ছে। বড় আকারের পেঁয়াজ ঝাঁজ কম হলেও দাম কম হওয়ায় তিনি কিনছেন।

কাজীর দেউড়ি বাজারে ভারতের পেঁয়াজ ১০৫-১১০ টাকায় এবং দেশি পেঁয়াজ ১৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খাতুনগঞ্জ বাজারে জানা গেছে, সংকট দেখা দিলে চট্টগ্রামের আমদানিকারকরা পাকিস্তান, চীন, মিশর, মিয়ানমার ও তুরস্ক থেকে কমদামি পেঁয়াজ আমদানি করেন। বর্তমানে বিভিন্ন দেশের পেঁয়াজ খাতুনগঞ্জে আসছে এবং আমদানিকারকরা কম লাভে বিক্রি করছেন।

হামিদ উল্লাহ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস জানান, সরকার পেঁয়াজ আমদানিতে সুবিধা দিচ্ছে, যা বাজারে প্রভাব ফেলবে। বৃহস্পতিবার ভারতের পেঁয়াজ ৮৫ থেকে ১০২ টাকার মধ্যে বিক্রি হয়েছে এবং মিশরের পেঁয়াজ ৬৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

মিয়ানমারের পেঁয়াজ ঢাকার বাজারে পাইকারিতে ৮৫-৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আড়তদাররা জানান, দেশে বার্ষিক পেঁয়াজের চাহিদা ২৬-২৭ লাখ টন, যার প্রায় তিন-চতুর্থাংশ দেশেই উৎপাদিত হয়। কৃষকদের প্রণোদনা দিয়ে উৎপাদন বাড়ানোসহ ভালো জাত নির্বাচন ও সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিয়ে ভাবতে হবে।

চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক ড. মোহাম্মদ শাহ আলম জানান, এ সপ্তাহে বন্দরে মিশর, পাকিস্তান, মিয়ানমার ও চীনের ৪৫৯ টন পেঁয়াজ এসেছে। গত অক্টোবরে আমদানি হয়েছে ৩ হাজার ৫৬২ টন।

তিনি জানান, শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কনটেইনারে আমদানি করা পেঁয়াজ দ্রুত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সাপ্লাইচেনে বিঘ্ন না ঘটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।