২৩ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
কৃষি

চলনবিলের ফসল চাষ পদ্ধতি ঘটাতে পারে নতুন কৃষি বিপ্লব

এগ্রিবার্তা ডেস্ক ২৫ নভেম্বর ২০২৪ · ৩ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
চলনবিলের ফসল চাষ পদ্ধতি ঘটাতে পারে নতুন কৃষি বিপ্লব

চলনবিল, যা দেশের শস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত, বছরের প্রায় চার মাস পানির নিচে থাকে। বর্ষাকালে এখানে মাছ শিকার স্থানীয় মানুষের জীবিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। পানি কিছুটা নামলেই কৃষকরা আমন ধান চাষ শুরু করেন এবং পরে সেই জমিতে রসুন ও পেঁয়াজের বীজ বপন করেন।

কোথাও আবার সরিষা বা ভুট্টার চাষও করা হয়। এরপর ডিসেম্বরে তরমুজ, মিষ্টি কুমড়া বা বাঙ্গির মতো ফসল লাগানো হয়। এর ফলে কৃষকরা অল্প সময়ে লাভবান হন এবং একসময় পতিত থাকা জমিগুলো ফসলের সমাহারে ভরে ওঠে।

সিলেটের কৃষি বিভাগ সম্প্রতি ৩০ জন কৃষক ও ১৩ জন কর্মকর্তাকে নিয়ে চলনবিল অঞ্চলে সরেজমিনে পরিদর্শনে আসে। নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। সিলেটের কৃষকরা চলনবিলে এসে এখানকার চাষ পদ্ধতি দেখে মুগ্ধ হন এবং বাস্তব প্রশিক্ষণ নেন। হাওরের কৃষকরা নিজ হাতে রসুন রোপণ করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে, সিলেটে এই পদ্ধতিতে চাষ করলে কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে।

সিলেট থেকে আসা কৃষক সাইফুর রহমান বলেন, "আমরা সাধারণত ধানের চাষই বুঝতাম, কিন্তু এখানে এসে দেখলাম কীভাবে একই জমিতে বিভিন্ন ফসল চাষ করা যায়।" অন্য এক কৃষক জিতেন্দ্র দাস জানান, “চলনবিলে এসে দেখলাম বিনা চাষে রসুনের আবাদ হচ্ছে। যদি আমাদের হাকালুকি হাওরে এভাবে চাষ করা যায়, তাহলে কৃষিতে নতুন বিপ্লব ঘটবে।”

সিলেট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ খয়ের উদ্দিন মোল্লা জানান, সিলেটের কৃষকরা সাধারণত এক ধরনের ফসল উৎপাদন করেন। চলনবিলের চাষ পদ্ধতি ছড়িয়ে দিতে এ সফরের আয়োজন করা হয়েছে।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।