২০ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
ক্যারিয়ার

মফিজুল ইসলামের সফলতা: বীজবিহীন পেয়ারা চাষ

এগ্রিবার্তা ডেস্ক ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪ · ৩ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
মফিজুল ইসলামের সফলতা: বীজবিহীন পেয়ারা চাষ

মফিজুল ইসলাম, একজন উদ্যমী কৃষক, লেখাপড়া শেষ করে চাকরি না পেয়ে নিজের জমিতে চাষাবাদ করার সিদ্ধান্ত নেন। ২০২০ সালে রাঙ্গামাটির সরকারি হর্টিকালচার সেন্টার থেকে বারি-০৪ জাতের বীজবিহীন পেয়ারার চারা উৎপাদনের খবর পান। তিন মাস যোগাযোগের পর তিনি ১০০টি চারা পান এবং সেগুলো রোপণের পর এক বছরের মাথায় কলম করে নতুন চারার উৎপাদন শুরু করেন।

মফিজুল ইসলাম জানান, তার উৎপাদিত চারার গাছ থেকে বছরের এপিল থেকে জুন মাস পর্যন্ত এবং সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত বছরে দুইবার ফলন পাচ্ছেন। প্রতিটি গাছে ২৫ থেকে ৩০ কেজি পেয়ারা উৎপাদিত হচ্ছে, যার ওজন ৪০০ থেকে ৭০০ গ্রাম। স্থানীয় বাজারে এই পেয়ারা বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। গত দুই মাসে তিনি ৫ কাঠা জমির উৎপাদিত পেয়ারা বিক্রি করেছেন ১ লাখ টাকায় এবং নতুন করে তৈরি করা চারাও বিক্রি করেছেন ২ লাখ টাকায়। আগামী বছর তিনি ১০ বিঘা জমিতে তার উৎপাদিত চারায় পেয়ারার বাগান করবেন।

মফিজুল ইসলাম বলেন, “২২ সাল থেকে আমি বীজবিহীন পেয়ারার চারা বিক্রি করছি এবং ইতিমধ্যে দেশের ৫২টি জেলায় চারা সরবরাহ করেছি। প্রতিবছর পেয়ারা ও চারা বিক্রি করে আমি ৭ থেকে সাড়ে ৭ লাখ টাকা আয় করছি।”

স্থানীয় মসজিদের ইমাম মুক্তার হোসাইন বলেন, "বীজবিহীন পেয়ারার স্বাদ শুনে বাগানে এসেছি। এটি আপেলের মতো স্বাদযুক্ত।" কৃষক আব্দুল মালেক জানান, “বাগান থেকে বীজ পেয়ারা খেয়ে আমি চমৎকার স্বাদ পেয়েছি, তাই আমি চারা নিয়ে আমার জমিতে চাষ করবো।”

মফিজুল ইসলামের সফলতা স্থানীয় কৃষকদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে এবং তারা তার কাছ থেকে চারা সংগ্রহ করে নিজেদের জমিতে চাষ করার পরিকল্পনা করছেন।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।