২৫ আগস্ট ২০২৬ · ঢাকা, বাংলাদেশ
এগ্রি বার্তা মাটির খবর, মানুষের কথা
কৃষি

পাবনায় সবজি চাষে জৈব সার ব্যবহারে সফলতা

এগ্রিবার্তা ডেস্ক ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪ · ৩ মিনিট পড়ার সময় · ১ বার পঠিত
শেয়ার করুন:
পাবনায় সবজি চাষে জৈব সার ব্যবহারে সফলতা

পাবনায় কৃষকরা এখন জৈব সার ব্যবহারে সফলতা অর্জন করেছেন, যা তাদের উৎপাদন খরচ কমাতে সহায়তা করছে। এই অঞ্চলের কৃষকেরা রাসায়নিকমুক্ত সবজি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

স্থানীয়ভাবে এ বছর জেলায় ১৪ হাজার ৩১০ মেট্রিক টন জৈব সার উৎপাদিত হয়েছে, যার মাধ্যমে সবজি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে সাড়ে ২৫ হাজার মেট্রিক টন।

পাবনা কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ৫৩ হাজার ৪০ জন কৃষককে জৈব সার উৎপাদন এবং কীটনাশক ছাড়া পোকা দমনে ফাঁদ তৈরি ও ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে পাবনা সদর উপজেলায় ১৪ হাজার ৪১০, আটঘরিয়ায় ৬ হাজার ৯০০, ঈশ্বরদীতে ৫ হাজার ৮০৫, চাটমোহরে ৬ হাজার ৫৬০, ভাঙ্গুড়ায় ৩ হাজার ৪২৫, ফরিদপুরে ৩ হাজার ২৯০, বেড়ায় ৬ হাজার ২৮০, সাঁথিয়ায় ১ হাজার ৮৯০ এবং সুজানগর উপজেলায় ৪ হাজার ৪৮০ জন কৃষক রয়েছেন।

জানা গেছে, ভার্মি, ট্রাইকো, কুইক কমপোস্ট ও কম্পোস্টসহ বিভিন্ন ধরনের জৈব সার উৎপাদন হচ্ছে। এ বছর শীতকালীন সবজি আবাদে বিশেষ করে শিম উৎপাদনে মুলাডুলী গ্রামের নাম ‘শিম সাগর’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কৃষকরা জৈব সার ব্যবহার করে সবজি চাষ করছেন। তারা জানান, রাসায়নিক সার ব্যবহারে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও মাটির উর্বরতা কমে যায় এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে। কৃষি বিভাগের পরামর্শে তারা বিষমুক্ত সবজি উৎপাদনের জন্য জৈব সার ব্যবহার শুরু করেছেন।

আফছার আলী নামে এক কৃষক বলেন, “আমি এবার সবজি আবাদে জৈব সার ব্যবহার করছি এবং কীটনাশকের পরিবর্তে ফাঁদসহ বিভিন্ন পদ্ধতি প্রয়োগ করছি। এতে আমার আবাদ খরচ কমছে এবং নিরাপদ সবজি চাষের মাধ্যমে আমি লাভবান হচ্ছি।”

এদিকে, পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. জামাল উদ্দিন জানিয়েছেন যে, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে তারা রাসায়নিক সার ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করার চেষ্টা করছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, পাবনা জেলা খুব শিগগিরই শতভাগ নিরাপদ সবজি আবাদের আওতায় আসবে।

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।