তদন্ত কমিটির প্রতি অনাস্থা ভুক্তভোগী শিক্ষকদের

গবেষণা/
মুসাদ্দিকুল ইসলাম তানভীর, বাকৃবি প্রতিনিধি

(১ সপ্তাহ আগে) ২১ জানুয়ারি ২০২৩, শনিবার, ৭:১১ অপরাহ্ন

agribarta

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ১০ জানুয়ারি শিক্ষক লাঞ্ছনার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কিন্তু তদন্ত কমিটির প্রতি অনাস্থা জানিয়ে এক দিনের মধ্যে নতুন কমিটি করার দাবি জানান ভুক্তভোগী শিক্ষক ও গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের একাংশ।

সোমবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চত্বরে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে এই দাবি জানান। প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ছাত্র বিষয়ক বিভাগ এই ঘটনার সাথে জড়িত বলে আমরা মনে করি। অথচ, সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা ও সহকারী প্রক্টরকে তদন্ত কমিটি কমিটিতে সদস্য করা হয়েছে। এই কমিটির কাছে সুষ্ঠু বিচার প্রত্যাশা করা যায় না। তাই এই কমিটি বাতিল করে আগামী এক দিনের মধ্যে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানাচ্ছি।

এছাড়াও প্রক্টরের অপসারণ ও ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শাস্তি প্রদানের দাবিও জানানো হয় প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে। প্রতিবাদ সমাবেশে গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের একাংশের সভাপতি প্রফেসর ড. এম এ এম ইয়াহিয়া খন্দকার, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর পূর্বা ইসলামসহ সংগঠনটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত ১০ জানুয়ারি অনুমতি ছাড়া জোরপূর্বক শিক্ষকের কক্ষে প্রবেশ করে শিক্ষকদের লাঞ্ছনা এবং এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি খন্দকার তায়েফুর রহমান রিয়াদের বিরুদ্ধে। এসময় ড. পূর্বা এবং সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. আফরিনা মুস্তারিকে লাঞ্ছিত করা হয়। একই সাথে ভেটেরিনারি অনুষদের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আফতাব দূর্বারকে মারধর করা হয়।

ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ১১ জানুয়ারি মানববন্ধন করে গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরোমের একাংশ। তারা প্রক্টরের অপসারণ , দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা, অন্যথায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পদত্যাগ দাবি করেন। এই ঘটনায় গত ১২ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি এন্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. সুকুমার সাহাকে সভাপতি এবং সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলামকে সদস্য সচিব করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।