খাবারের পর একে একে মারা গেল ১১টি ফ্রিজিয়ান গরু

ডেইরি/
সংকলিত

(৫ মাস আগে) ২৩ আগস্ট ২০২৩, বুধবার, ১২:৪০ অপরাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ১২:৫৭ অপরাহ্ন

agribarta

ঢাকার ধামরাই উপজেলায় একটি খামারে খাবার খাওয়ার পর পরই ১১টি ফ্রিজিয়ান জাতের গরু মারা গেছে।

সোমবার সকালে উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের কাজীপাড়া এলাকার আসাদ অ্যাগ্রো ফার্মে এ ঘটনা ঘটে বলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. সেলিম জাহান জানান।

যে গরুগুলো মারা গেছে তার মধ্যে তিনটি ষাঁড়, ছয়টি বড় ও দুটি ছোট গাভী ছিল। বড় গাভী ছয়টি সন্তাসম্ভবা ছিল।

আসাদ অ্যাগ্রো ফার্মের মালিক আসাদ খান বলেন, “ভুষি, খৈল অন্যান্য দানাদার খাবার মিশিয়ে আমরা চারদিনের খাবার বানাই। তারপর খুব ভালো করে বস্তা বেঁধে রাখি। সেই দানাদার মিশ্রণটাই আজকে খাওয়ানো হইছে। দুই বছর ধরে এভাবেই খাওয়াচ্ছি।

“শনিবার খাবার বানানোর পর এই কয়দিন খাওয়ানো হইছে, কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু আজকে সকালে যখনি খাওয়ানো হইছে। তখনি গরুগুলো ছটপট করে শুয়ে পড়ে মারা গেছে।

আসাদ আরও বলেন, তার ১৬টা গরুর মধ্যে ১১টা মারা গেছে। বাকি পাঁচটার অবস্থা এখনও পর্যন্ত ভালো মনে হচ্ছে। সবগুলো ফ্রিজিয়ান জাতের গরু।

খামার মালিকের দাবি, তার প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

খামারটির তত্ত্বাবধায়ক (কেয়ারটেকার) সাদ্দাম হোসেন বলেন, “প্রতিদিনের মত সকালে গরুগুলোকে খাবার দিয়ে আমি বাড়ি চলে যাই। পরে জানতে পারি, একটি একটি করে গরু মুখ দিয়ে ফ্যানা বের হয়ে মাটিতে শুয়ে পড়ে মারা গেছে। এভাবে ১১টি গরুই মারা গেছে। অথচ খাবার দেওয়ার আগে সবগুলো গরু সুস্থ ছিল।”

ধামরাই উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. সেলিম জাহান বলেন, “ঘটনাস্থলে আমাদের প্রতিনিধি যাচ্ছে, কী সমস্যা এবং সেখানকার প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করবে।

“তবে ধারণা করা হচ্ছে, নাইট্রেট পয়জনিং এর কারণে একসঙ্গে অনেক গরু মারা গেছে। বর্ষাকালীন সময়ে ঘাসে প্রচুর নাইট্রেট থাকে; সেজন্য পয়জনিং হয়।”

  • সূত্র : বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর