ঢাকা, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, রবিবার

দিনব্যাপী কর্মসূচিতে বাকৃবিতে ভাষা শহীদদের স্মরণ



ক্যাম্পাস

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি, বাকৃবি

(১০ ঘন্টা আগে) ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শনিবার, ৬:৪৮ অপরাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ৬:৫২ অপরাহ্ন

agribarta

ভাষার জন্য আত্মত্যাগী শহীদদের স্মরণে আজ ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার। প্রভাতফেরি থেকে আলোচনা সভা, নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের আয়োজন করে বাকৃবি জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটি।

শনিবার প্রথম প্রহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হলের শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পনের মাধ্যমে এ উদযাপন শুরু হয়। 

এরপর সকাল আটটায় ঈশা খাঁ হল সংলগ্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন উপাচার্য অধ্যাপক এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। এরপর উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশাখী চত্বর থেকে প্রভাতফেরি শুরু হয়। এতে জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি ও ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক মো. শহীদুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক মো. আবদুল আলীম, রেজিস্ট্রার মো. হেলাল উদ্দীন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. হুমায়ূন কবিরসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা অংশ নেন। প্রভাতফেরিটি কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।

সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও উপস্থিত সকলকে শপথ বাক্য পাঠ করান উপাচার্য। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল, ছাত্র সংগঠন, রাজনৈতিক সংগঠন ও অভ্যন্তরীণ স্কুল-কলেজের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়।

এসময় উপাচার্য বলেন, 'পাকিস্তানী শাসকরা জানতেন, বাংলা ভাষাভাষী মানুষ কখনও তাদের মাতৃভাষা উর্দু হতে দেবে না। তারা শোষণ ও নিপীড়নের মাধ্যমে বাংলার মানুষকে দমাতে চেয়েছিলেন কিন্তু তা পারেননি। ৫২ সালের ২১ফেব্রুয়ারিতে শিক্ষিত শ্রেণি থেকে শুরু করে শ্রমজীবী মানুষ সেদিন রাজপথে নেমে এসেছিলেন এবং তাদের আত্মত্যাগের মাধ্যমেই অর্জিত হয়েছে আমাদের মাতৃভাষা বাংলা। আজ আমরাই বিশ্বের বুকে একমাত্র দেশ যারা ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছি।'

তিনি আরও বলেন, আমরা মাতৃভাষায় কথা বললেও শিক্ষা ও দাপ্তরিক কাজের সর্বোচ্চ স্তরে বাংলাকে এখনও কাঙ্ক্ষিত মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে পারিনি। তবে আমার বিশ্বাস ২০২৬ সালের সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত গণতান্ত্রিক সরকার সর্বস্তরে প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক পর্যায়ে বাংলা ভাষা প্রচলনে সচেষ্ট হবেন।'

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে দুপুরে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের উদ্যোগে ‘একুশের চেতনা ও নতুন প্রজন্মের স্বদেশ ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়াজন করা হয়েছে। এছাড়াও বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের সব মসজিদ, মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।

ক্যাম্পাস থেকে আরও পড়ুন

সর্বশেষ

agribarta
কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রী 
শিশুদের সঠিকভাবে গড়ে তুললে দেশ পাবে সুন্দর প্রজন্ম