কৃষি উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থান

ক্যারিয়ার/
ওয়ায়েস কবীর

(১ সপ্তাহ আগে) ২১ জানুয়ারি ২০২৩, শনিবার, ৭:৩৯ অপরাহ্ন

agribarta

আজকের বাংলাদেশে লাখ লাখ শিক্ষিত বেকারের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে দেশের টেকসই অর্থনীতির চাকা সচল রাখা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। বিভিন্ন সভা-সেমিনার, নীতি আলোচনায় বা গবেষণা প্রবন্ধে এ বিষয়ে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে দেশে প্রবৃদ্ধির হার ভালো হলেও শ্লথ কর্মসংস্থানের অর্থনীতি বলা হচ্ছে। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিআইডিএসের এক জরিপে দেখা গেছে, দেশে উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বেকারত্বের হার ৩৪ শতাংশ আর স্নাতক পর্যায়ে এ হার ৩৭ শতাংশের মতো। লেখাপড়া জানা এসব শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা প্রতি বছরই বাড়ছে। তাছাড়া এ দেশের জনসংখ্যার তিন ভাগের এক ভাগ যুবক। এদের উৎপাদনশীল খাতে কাজে লাগাতে পারলে উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত হতে পারে।

এ কথা প্রায়ই বলা হচ্ছে, দেশে এখন উদ্যোক্তা সৃষ্টি করা প্রয়োজন। গ্রামীণ কৃষি ক্ষেত্রে বেশকিছু উদ্যোগ এরই মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষ করে পণ্য সরবরাহ, আর্থিক লেনদেন, হাঁস-মুরগির খামার, দুধের খামার, নার্সারি, ফুলের চাষ, মাশরুম চাষ, শুঁটকি, গরু মোটাতাজাকরণ ইত্যাদি। তবে তা দেশের সামগ্রিক বাজার চাহিদার তুলনায় এখনো যথেষ্ট অপ্রতুল। কৃষি স্টার্টআপ বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে বেশ জনপ্রিয় হচ্ছে। এসব স্টার্টআপ উৎপাদক ও ভোক্তা পর্যায়ে সংযোগ, উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সমস্যা সমাধান, কৃষকদের আর্থিক সহায়তা, প্রশিক্ষণ, পণ্য সরবরাহ, বাজার সৃষ্টি, গবাদিপশু সম্পদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এসব কার্যক্রম করে যাচ্ছে। আই ফার্মার, খামার ই, খাস ফুড ইত্যাদি ডিজিটাল স্টার্টআপ অন্যতম। বাংলাদেশ ব্যাংকে স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে ৫০০ কোটি টাকার ফান্ড করা হয়েছে। এতে ২১-৪৫ বছরের উদ্যোক্তাদের সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকার ঋণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আর্থিক প্রাতিষ্ঠানিক আয়ের ১ শতাংশ এসব খাতে সহজ শর্তে ঋণ দেয়ার নির্দেশনা রয়েছে বলে জানা যায়। এসব সুবিধা কাজে লাগিয়ে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা লাভবান হতে পারেন।

এশিয়ার অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের কৃষিতে অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। আমরা জানি, উচ্চফলনশীল ফসল বা প্রাণিসম্পদ দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় খাদ্যনিরাপত্তায় অবদান রেখে চলেছে। মূলত অধিক ফলন সম্ভাবনাসম্পন্ন বীজ, প্রাকৃতিক সম্পদ উন্নয়ন এবং সার সেচ ব্যবস্থা কাজে  লাগিয়ে এ উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে বা হচ্ছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার ঝুঁকির মধ্যেও এশিয়ার দেশগুলোয় কৃষির উৎপাদনশীলতা বেড়ে চলেছে। কিন্তু সে হিসাবে ক্ষুদ্র কৃষিনির্ভর চাষাবাদে নিয়োজিত উৎপাদক লাভের মুখ দেখতে পান না। শ্রীলংকার খাদ্যনিরাপত্তায় অবৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্তের কারণে চরম মূল্য দিতে হচ্ছে, যা থেকে এশিয়ার দেশগুলো শিক্ষা নিতে পারে। এখন কৃষিতে অধিক মূল্য সংযোজন বা প্রক্রিয়াজাত করে বাজার সৃষ্টি করতে পারলে উৎপাদক লাভবান হতেন এবং গ্রামীণ উদ্যোক্তা তৈরি হতো।

বীজ-সারনির্ভর প্রযুক্তি মাঠে প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রচলিত গবেষণা সম্প্রসারণ পদ্ধতি বিভিন্ন দেশে কাজ করে চলেছে। যদিও এর ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার তারতম্য লক্ষ করা যায়। উৎপাদন ছাড়াও একদিকে কৃষিতে মূল্য সংযোজন সম্ভব, অন্যদিকে এসব কাজে যুবশক্তিকে লাভজনক কাজে নিয়োজিত করার সুযোগ রয়েছে। তবে কৃষি প্রক্রিয়াজাত প্রযুক্তি বা দেশে উদ্ভাবিত যন্ত্রপাতি সম্প্রসারণে দেশে বা এ অঞ্চলে কোনো প্রতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে ওঠেনি। ফলে এসব উদ্ভাবন প্রযুক্তি মাঠ বা উদ্যোক্তা পর্যায়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রে পৌঁছে না এবং দেশী ক্রমবর্ধমান খাদ্য বা প্রক্রিয়াজাত শিল্পের প্রযুক্তি সরবরাহে অবদান রাখতে পারছে না। তাছাড়া প্রতিটি প্রক্রিয়াজাত প্রযুক্তি বা যন্ত্রপাতি মাঠ পর্যায়ে প্রয়োগের ভিন্নতা রয়েছে। তবে এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশ—ভারত, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ডসহ বেশকিছু দেশ—বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি ব্যবসা ইনকিউবেশন কেন্দ্র বা এক্সিলেটর চালু করেছে। এসব কেন্দ্রে প্রযুক্তিভিত্তিক ব্যবসা করার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং এ-জাতীয় যাবতীয় সহায়তা দেয়। এসব কেন্দ্র কৃষি ব্যবসার আইডিয়া, কনসেপ্ট ও প্রয়োগ পর্যন্ত সার্বিক সহায়তা দেয়। যেহেতু কৃষি ব্যবসা বহুলাংশে ভৌগোলিক অবস্থান, ভোক্তা চাহিদা, আর্থিক সহায়তা ও সামাজিক অবস্থানের ওপর নির্ভর করে তাই প্রযুক্তি প্রয়োগের জন্য বিনিয়োগের আগে উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট উদ্ভাবক একসঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে সফল ব্যবসায় রূপান্তর করা হয়। এসব সফল করার জন্য আর্থিক জোগান বা বিনিয়োগ সহায়তা দিতে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা সরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন।

কৃষি গবেষণায় ফসল বা প্রাণীর জাত উৎপাদনের ওপর প্রচুর গবেষণা হলেও কৃষি প্রক্রিয়াজাতকৃত পণ্য, যন্ত্রপাতি (সংগ্রহোত্তরসহ) উদ্ভাবনে সে রকম সাফল্য আসেনি। অর্থাৎ এখনো ফল, শাকসবজি, মসলা, দুধ ও মাছ  প্রক্রিয়াজাত ব্যবসার উপযোগী প্রযুক্তির ঘাটতি রয়েছে। ফলে দেশ এসব পণ্য আমদানি করে। তবে নগরায়ণের ফলে খাদ্যগ্রহণের ভিন্নতা বিবেচনায় প্রক্রিয়াজাত পণ্যের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।

দেশে নানা প্রকার ফুল, সবজি ও নানা ফসলের আবাদ হলেও অতিনগণ্য পরিমাণ প্রক্রিয়াজাত করা হয়। ফলে কৃষক মৌসুমে এসবের দাম পান না। অন্যদিকে অমৌসুমে এসব পণ্য পাওয়া যায় না। প্রচলিত ফলের ৭০ শতাংশ মাত্র গ্রীষ্মের তিন-চার মাসে বাজার সয়লাব থাকে। প্রায় ২৫-৫০ ভাগ সংগ্রহোত্তর ফসল প্রক্রিয়াজাতের অভাবে নষ্ট হয়। বাকি সময় বিদেশী ফলের ওপর নির্ভরশীল। অপ্রচলিত ফলের সমাদর নেই বললেই চলে এ দেশে। বলা হয়, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) মাত্র শূন্য ২ শতাংশ কৃষি প্রক্রিয়াজাত থেকে আসে। বিদেশী যন্ত্রপাতি ও দেশীয় কাঁচামালনির্ভর বাংলাদেশের বড় বেসরকারি খাদ্য শিল্প প্রতিষ্ঠান এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাচ্ছে।

এ দেশে বেশ কয়েকটি কৃষি ও খাদ্যসংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা কৃষিপণ্য মূল্য সংযোজনে বা প্রডাক্ট উন্নয়নে গবেষণা করছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ, বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অন্যতম। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বেসরকারি শিল্প উদ্যোক্তাদের সমঝোতা চুক্তি রয়েছে বলে জানা যায়। বেসরকারি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের আরো নিবিড় সংযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন।

খাদ্য শিল্পের ক্ষেত্রে খাদ্যের গুণগত মান একটি বড় বাধা হিসেবে মনে করা হয়। ফ্রেশ ছাড়াও দুই ধরনের খাদ্যসামগ্রী চেইন বা বড় দোকানে মোড়কে বিক্রি করতে দেখা যায়। একটি রেডি টু কুক (যেমন কাটা মাছ, মুরগি), আরেকটা রেডি টু ইট (যেমন সারাসরি বা হালকা গরম/সেদ্ধ বা ভেজে খাওয়া)। রেডি টু ইট জনস্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট বিধায় এর বাজারজাতের ওপর বিধিবিধানে অনুশাসন বেশি হয় দেশে দেশে। সেটা অভ্যন্তরীণ বাজার বা রফতানি বাজার উভয় ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা এসব পণ্য বাজারজাত করতে পারলে যুবশক্তিকে উৎপানশীল কাজে নিয়োজিত করা যেতে পারে। তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, বর্ণিত প্রতিষ্ঠানের কাঁচা ও পাকা নানা রকমের ফলের সুস্বাদু জ্যাম-জেলি, শরবত, পাকা কাঁঠালের প্যাকেটজাত কোয়া, কেনাফ পাটের আচার ও চা, পাটজাত পণ্য, মাছের বল, নুডলস, ফসল শুকানো, সংরক্ষণ ইত্যাদি উদ্ভাবন করে বাজারজাতের অপেক্ষায় রয়ে গেছে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা বড় বাজারে স্থান পাচ্ছেন না শুধু সরকারি সনদের কারণে। যেমন শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতায় বিএসটিআই, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, কৃষি মন্ত্রণালয়ের কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, মত্স্য বিভাগ ইত্যাদি। বড় বড় শিল্প উদ্যোক্তার সঙ্গে এসব ক্ষুদ্র ও মাঝারি বা কাটেজ শিল্প টিকে থাকা দুষ্কর হয়ে পড়েছে। দেশে ন্যাশনাল এগ্রিকালচার টেকনোলজি প্রকল্পের আওতায় কমন ইন্টারেস্ট গ্রুপ, ফারমার্স প্রডিউসার গ্রুপ ইত্যাদির মাধ্যমে উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে। এসব উদ্যোক্তা সমবায় অধিদপ্তরে নিবন্ধিত। তাছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য প্রকল্পের মাধ্যমে এ ধরনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে সফল বলে প্রমাণিত উদ্ভাবিত প্রযুক্তি প্যাকেজ আকারে উদ্যোক্তাদের ব্যবহার করা যেতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, মাশরুমের বিশাল বাজার চাহিদা থাকলেও আশানুরূপ প্রসার হচ্ছে না। শহর এমনকি গ্রামীণ পর্যায়ে এ পণ্যের চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ অপ্রতুল। স্বল্প পুঁজির ও গ্রামীণ গৃহস্থালি পর্যায়ে সামান্য যন্ত্রপাতির সাহায্যে, নারীদের আয়-রোজগারের পথ হিসেবে এবং পুষ্টি সরবরাহের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো বিশেষ প্রয়োজন। এ বিষয়ে সাভারে সরকারি উদ্যোগে একটি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু আছে। যদ্দূর জানা যায়, সরকারি এ প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প শেষ হওয়ায় মাশরুমের বিভিন্ন জাতের বীজ সরবরাহ বন্ধ হওয়ার কারণে উদ্যোক্তারা এ শিল্প ছেড়ে দিচ্ছেন, যা মোটেই কাম্য নয়। কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে অদ্বিতীয় কিন্তু কাঁঠালজাত পণ্য বাজারজাত করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। ভারতের বেঙ্গালুরুতে মাত্র স্বল্প দিনের খাবার উপযোগী প্যাকেটজাত কাঁঠাল পণ্য বাজারজাত করার সনদ দেয়া হচ্ছে। আমাদের দেশে কুটির শিল্প হিসেবে মান পরীক্ষা করে প্রাথমিকভাবে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের সহায়তায় নির্ধারিত কৃষিবাজারে বিক্রির সুযোগ দেয়া যেতে পারে।

করণীয়

যুব ও মহিলা অধিদপ্তরের মাধ্যমে এসব পণ্যের প্রক্রিয়াজাতে উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া। এসব প্রশিক্ষণের আওতায় পণ্যের গুণগত মান, লেভেলিং, প্যাকেজিং, ব্র্যান্ডিং, বাজার ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি রাখা যেতে পারে।

খাদ্য প্রক্রিয়ায় নিয়োজিত গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তি উদ্ভাবন প্রক্রিয়ায় ব্যবসা সম্ভাবনাকে মাথায় রেখে কাজ করা আবশ্যক। বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের মাধ্যমে স্বয়ংসম্পূর্ণ প্যাকেজের আকারে প্রযুক্তি হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা দরকার। মান পরীক্ষার আধুনিক সুবিধা ও দক্ষ জনবল সৃষ্টি করে গবেষণা ও উন্নয়ন উদ্যোক্তাদের সংগঠিত করা প্রয়োজন।

সফল উদ্ভাবনকে পৃষ্ঠপোষকতার লক্ষ্যে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা রয়েছে। সম্ভাবনাময় উদ্ভাবিত পণ্যের (যেমন বাজার চাহিদা, উদ্যোক্তার যোগ্যতা, ব্যবসায়িক পরিকল্পনা, গুণগত মান পরীক্ষা ইত্যাদি) উদ্যোক্তাদের স্টার্টআপের আওতায় সহায়তা দেয়া যেতে পারে।

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজস্ব বা স্থানীয় প্রযুক্তি সহায়তায় কৃষি ব্যবসা ইনকিউবেশন কেন্দ্র বা এক্সিলেটর চালু করে উদ্যোক্তা তৈরি করতে পারে। সেই সঙ্গে প্রাথমিকভাবে যথাযথ মান পরীক্ষা করে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের সহায়তায় বাজার সৃষ্টিতে কাজ করতে পারে। বাজার সার্থক এসব উদ্যোগ পরবর্তী সময়ে মূলধারার বাজারে প্রবেশ করতে পারে।

  • ওয়ায়েস কবীর: সাবেক নির্বাহী চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল

ক্যারিয়ার -বিভাগ থেকে আরও পড়ুন