www.agribarta.com:: কৃষকের চোখে বাংলাদেশ

দেশীয় স্বাদের দ্রুত বর্ধনশীল ‘বাউ মুরগি’


 এস এ    ৮ আগস্ট ২০২১, রবিবার, ৫:২৩   পোল্ট্রি বিভাগ


দেশীয় স্বাদের দ্রুত বর্ধনশীল একটি অনন্য মুরগির জাত ‘বাউ মুরগি’। দেশী মুরগির স্বাদ ও অন্যান্য গুণাগুণ বজায় রেখে এই মুরগিটি উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। ব্রয়লার মুরগির মতই এই জাতের মুরগি দেড়মাসেই হবে বিক্রির উপযোগী।

জানা যায়, উদ্ভাবিত ‘বাউ মুরগি’র মাংস দেশি মুরগির মতোই শক্ত প্রকৃতির ও সুস্বাদু। বাউ মুরগি দেশে প্রচলিত মুরগির ঘরেই লালন-পালন করে কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন পাওয়া যাবে। বয়স ছয় সপ্তাহ বা দেড় মাস হলেই বাজারজাত করা যায় এই মুরগি। এই সময়ে একেকটি মুরগি গড়ে এক কেজি ৮৫০ গ্রাম থেকে এক কেজি ৯০০ গ্রাম খাবার খেয়ে থাকে। এ সময় মুরগির ওজন ৯০০ গ্রাম থেকে এক কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে।

এ প্রসঙ্গে উদ্ভাবক অধ্যাপক ড. বজলুর রহমান মোল্যা জানান, বাউ মুরগির রোগ-বালাইও হয় কম। অতিরিক্ত টিকা ও কোনো অ্যান্টিবায়োটিক দিতে হয় না বলে এই মুরগির মাংস বেশি নিরাপদ।

তিনি আরও জানান, ‘বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে ৭০ থেকে ৭৫ লাখ সোনালি মুরগির একদিনের বাচ্চা উৎপাদন হচ্ছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এই মুরগির ২০ শতাংশ ‘বাউ মুরগি’ দখল করবে বলে আশা করছি।’

আমরা দুই ধরনের এক দিনের বাচ্চা উৎপাদন করছি। একটি বাণিজ্যিক বাচ্চা, অন্যটি মা-বাবা (প্যারেন্ট) বাচ্চা। বর্তমানে প্রতিটি বাণিজ্যিক বাচ্চা ২৫ থেকে ৩০ টাকা দরে আর প্রতিটি মা-বাবা (প্যারেন্ট) বাচ্চা ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা দরে সরবরাহ করছি।




  এ বিভাগের অন্যান্য