www.agribarta.com:: কৃষকের চোখে বাংলাদেশ

শাস্তি নয়, সতর্ক করতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা —কৃষিমন্ত্রী


 এগ্রিবার্তা ডেস্ক    ১৮ জানুয়ারি ২০২২, মঙ্গলবার, ১১:১৮   সমকালীন কৃষি  বিভাগ


বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি বাংলাদেশকে শাস্তি দেয়ার জন্য নয়, সতর্ক করার জন্য করা হয়েছে। আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দেয়া এবং উত্তর কোরিয়া ও মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশকে একইভাবে বিবেচনা করা খুবই দুঃখজনক বলে আমি তাদের জানিয়েছি।

গতকাল সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলারের সঙ্গে সাক্ষােশষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক।

গতকাল কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেন মিলার। সাক্ষাত্কালে দুদেশের কৃষি, অর্থনীতি, বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যু এবং সাম্প্রতিক মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় মার্কিন দূতাবাসের এগ্রিকালচারাল অ্যাটাশে মেগান ফ্রান্সিস উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাত্কালে দেশের কৃষি উৎপাদনের অভাবনীয় সাফল্যের কথা তুলে ধরে কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৃষি খাতে সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ইউএসএ বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা সিস্টেম (এনএআরএস) উন্নয়নে বেশ সহযোগিতা করেছে। বাংলাদেশ গত ৫০ বছরে কৃষি উৎপাদনে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে।

মিলার বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৃষি খাতে গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। দুদেশের মধ্যে কৃষি বাণিজ্য অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ এখন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি পণ্যের ২৬তম বাজার। সামনের দিনগুলোতে কৃষি খাতে সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরো বাড়বে।

কৃষিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ সফলভাবে জঙ্গি দমন করতে পেরেছে বলে তারা প্রশংসা করেছেন। তাদের ধারণা, কিছু ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে। সেটার উন্নতি হওয়া দরকার। তারা আশা করেন, এটা হবে। আমি তাদের জানিয়েছি, আমাদের দেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি ভালো। মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি। কিছু জায়গায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হয়তো ভুল করেছে, সেজন্য ১৯০ জন র্যাব কর্মকর্তার শাস্তি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রাষ্ট্রদূত যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সঙ্গে কথা বলবেন বলে আশ্বাস দেন, যাতে দ্রুত এ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়।

নারায়ণগঞ্জ নির্বাচন বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ড. রাজ্জাক বলেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হচ্ছে। সারা দেশই তাকিয়ে আছে। সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য আমরা মনে করি নির্বাচনটা সুন্দর ও সুষ্ঠু হওয়া উচিত। কোনো অবস্থাতেই এ নির্বাচনে যাতে কোনো ত্রুটি না থাকে, সমালোচনার সুযোগ না থাকে, সেটিই আমরা আশা করছি। নির্বাচনে যে ফল আসবে সেটা যদি আমাদের বিরুদ্ধেও যায়, তা আমরা গ্রহণ করব। একটা সিটি নির্বাচনে হেরে গেলে কিছু যায়-আসে না। কিন্তু জনগণের বিজয় হবে।




  এ বিভাগের অন্যান্য