www.agribarta.com:: কৃষকের চোখে বাংলাদেশ

অধিকারভিত্তিক বেসরকারি সংগঠনগুলোর সেমিনার

নারীর সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি


 এগ্রিবার্তা ডেস্ক    ২৮ মার্চ ২০২২, সোমবার, ৯:৫৩   কৃষি ক্যারিয়ার বিভাগ


নারী কৃষককে পরিচয় দিতে হয় পুরুষ কৃষকের বউ হিসেবে। নারী কৃষক না হওয়ায় বঞ্চিত হচ্ছেন সরকারের কৃষি কার্ড, প্রশিক্ষণ ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা থেকে। নারীবান্ধব কোনো বাজার ব্যবস্থা নেই। কৃষিঋণ পায় না। অথচ কৃষি অর্থনীতিতে নারীরা ৬৪ দশমিক ৫ ভাগ অবদান রাখছে। নারীর প্রতি পক্ষপাত ও বৈষম্য দূর করে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বাজার ব্যবস্থাপনায় প্রবেশাধিকার না থাকা, খাসজমি বন্দোবস্তে নারীর প্রতি বৈষম্যের পরিবর্তন আনতে হবে।

গত ২৪শে মার্চ সিরডাপ মিলনায়তনে বেসরকারি সংগঠন এএলআরডি, অ্যাকশনএইড, আরবান, ব্লাস্ট, বেলা, বিএলআরএন, বিএনপিএস, নাগরিক উদ্যোগ, আইপিডিএস, কাপেং ফাউন্ডেশন, নিজেরা করি ও স্ট্যান্ড ফর হার ল্যান্ডের আয়োজনে নারী-পুরুষ সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে ‘ভূমি-কৃষি-সম্পত্তিতে নারী-পুরুষের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠায় পক্ষপাত ও বৈষম্যের অবসান: রাষ্ট্র ও নাগরিকের করণীয়’ শীর্ষক এক সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা।

মানবাধিকার কর্মী ও নিজেরা করির সমন্বয়কারী খুশী কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. রওশন আরা, এএফএসএনের আঞ্চলিক কো-অর্ডিনেটর আহমেদ বোরহান, নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা মিনু এবং এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন। ব্লাস্টের প্রকল্প সমন্বয়কারী অনন্যা চক্রবর্তী, নাগরিক উদ্যোগের তনয় দেওয়ান এবং অ্যাকশন এইডের শওকত আকবর বক্তব্য রাখেন।

এছাড়া তৃণমূলের নারী কৃষকদের পক্ষ থেকে গৌরি ত্রিপুরা, ছকিনা বেগম, কাজলী বর্মণ, নীলিমা মুন্ডা এবং শাহানাজ বেগম বক্তব্য রাখেন। এর আগে বিষয়ের ওপর একটি উপস্থাপনা দেন এএলআরডির সহকারী কর্মসূচি সমন্বয়কারী সানজিদা খান রিপা।

স্বাধীনতার ৫০ বছর অতিক্রম করেছি কিন্তু নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়নি বলে আক্ষেপ করে শামসুল হুদা বলেন, আমরা এখনো পক্ষপাত ও বৈষম্যের মানসিকতা থেকে বেরোতে পারিনি। কারণ আমাদের সমাজ, পরিবার ও সব কাঠামো একই মানসিকতায় তৈরি। তাছাড়া যাদের জন্য কিছু করা হবে তা তাদের সঙ্গে আলোচনা না করে সেই পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতায় করা হয় বলে উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছে না।

 




  এ বিভাগের অন্যান্য