www.agribarta.com:: কৃষকের চোখে বাংলাদেশ

মুগ ডাল আবাদে ভর্তুকিতে মাড়াই যন্ত্র পাবেন কৃষক


 এগ্রিবার্তা ডেস্ক    ১১ মে ২০২২, বুধবার, ১০:০৪   সমকালীন কৃষি  বিভাগ


কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, পতিত জমিসহ সম্ভাবনাময় জমিতে মুগ ডালের আবাদ সম্প্রসারণ করা হবে। মুগ ডালের মাড়াই সমস্যা সমাধানের জন্য মাড়াই যন্ত্র বিজ্ঞানীরা উদ্ভাবন করেছেন। যার দাম ৬০-৭০ হাজার টাকা। আগামী বছর ভর্তুকি মূল্যে এ যন্ত্র কৃষকদের দেয়া হবে। ফলে দাম পড়বে ২৫-৩০ হাজার টাকা। এতে কৃষকদের উৎপাদন খরচ কম পড়বে ও তারা লাভবান হবেন।

গতকাল বরিশালের বাকেরকাঠি ও নন্দপাড়া গ্রামে পতিত জমিতে বোরো ধান আবাদের ফসল কর্তন উৎসব ও মাঠ দিবসে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. রুহুল আমিন তালুকদার, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক শাহজাহান কবীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলাসহ উপকূলের পতিত জমিকে চাষের আওতায় আনতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ চলছে। এরই মধ্যে দেশের বিজ্ঞানীরা উন্নত জাতের ধান, মুগ ডাল, তরমুজসহ বিভিন্ন ফসলের জাত উদ্ভাবন করেছেন। এর মধ্যে লবণসহিষ্ণু জাতও রয়েছে। বাকেরকাঠি গ্রামে প্রায় ১০০ বিঘা জমিতে প্রথমবারের মতো পতিত জমিতে বোরো ধান আবাদ হয়েছে। লো-লিফট পাম্পের (এলএলপি) মাধ্যমে সেচের ব্যবস্থা করে কৃষককে চাষে উদ্বুদ্ধ করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)।

পরে দুপুরে কৃষিমন্ত্রী পটুয়াখালীর সদর উপজেলার বদরপুর ও করমজাতলা গ্রামে মুগ ডালের মাঠ পরিদর্শন করে বলেন, পটুয়াখালী, ভোলাসহ এ অঞ্চলে মুগ ডালের সম্ভাবনা অনেক। এ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকার কৃষকদের উন্নতমানের বীজসহ সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত উন্নত জাতের বারি মুগ ডাল-৬-এর উৎপাদনশীলতা অনেক ভালো। বিঘায় পাঁচ-ছয় মণ। এ বছর শুধু পটুয়াখালী জেলাতেই প্রায় এক লাখ হেক্টর জমিতে মুগ ডাল চাষ হয়েছে। আর পটুয়াখালী ও ভোলা দুই জেলা মিলে বছরে দুই লাখ টন মুগ ডাল উৎপাদন হয়।




  এ বিভাগের অন্যান্য