www.agribarta.com:: কৃষকের চোখে বাংলাদেশ

ভেটেরিনারি শিক্ষা ও গবেষনার আদর্শ মান ও পদ্ধতিঃ বৈশ্বিক প্র্যাকটিস ও বাংলাদেশের বাস্তবতা!


 সম্পাদকীয়    ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার, ৪:৪৩   সম্পাদকীয় বিভাগ


কৃষি প্রধান বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রানিসম্পদের ভূমিকা অপরিহার্য। দেশের মানুষের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে অবিরাম পরিশ্রম করে যাচ্ছে এ খাত সংশ্লিষ্ট সকলে। তারপরেও প্রাণিসম্পদ খাত নিয়ে কথা আসলেই সকলে ভেট-এইচ দ্বন্দ্বে ভোগে। কার থেকে কার অবদান কম কিংবা বেশি সেটি প্রমাণে ব্যস্ত হয়ে যায় সবাই। এই দ্বন্দ্বকে পাশ কাটিয়ে আমাদের দেশের ভেটেরিনারি শিক্ষার স্টান্ডার্ডকে উন্নত দেশের স্টান্ডার্ডে পরিমাপ করলেই এ দ্বন্দ্ব থেকে পরিত্রান পাওয়া সম্ভব বলে মনে হয়।

বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে কোন বিষয়ের স্ট্যান্ডার্ড তৈরিকরণে সাধারণত নিম্নোক্ত বিষয় সমূহ চিন্তা করা হয়-

  • দেশের আবহাওয়া, পরিবেশ ও আর্থসামাজিক অবস্থায় সংশ্লিষ্ট স্টোকহোল্ডারদের চাহিদা এবং বাস্তবায়ন যোগ্যতা
  • সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার
  • সম আর্থ-সামাজিক অবস্থা সম্পন্ন প্রতিবেশী দেশসমুহের আদর্শমান, ইউরোপ ও আমেরিকান স্ট্যান্ডার্ড
  • উপরোক্ত সব কিছুকে সামনে এনে স্থানীয় কনটেক্সট বিবেচনায় নিয়ে একটি সার্বজনীন মডেল তৈরী করা হয়।

এমতাবস্থায় ভেটেরিনারি শিক্ষার স্ট্যান্ডার্ড মডেলিং বা বিদ্যমান অবস্থা কতটুকু মানসম্পন্ন এবং কতটুকু আধুনিকিকরণ করতে হবে সেটি দেখতে হলে আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র, ইউরোপ ও আমেরিকান সিস্টেমের সাথে তুলনা করতে হবে। যারা এই কথা বলে বলে দেশের ভেট-এএইচ সমাজ, নীতিনির্ধারক তথা প্রশাসনকে চোখে ধূলা দিচ্ছেন, যে বিশ্বব্যাপী ভেট এবং এএইচ আলাদা বিষয়, তাদের মুখোশ উন্মোচন করতে হলে আমেরিকান স্ট্যান্ডার্ডস, ইউরোপিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশসমুহের শিক্ষা পদ্ধতি আলোচনা করতে হবে।

প্রথমেই আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী ভারতের ভেটেরিনারি ও এনিমেল সাইন্স শিক্ষা নিয়ে কথা বলতে হলে প্রথমেই আসবে TANUVAS (TAMILNADU UNIVERSITY OF VET & ANIMAL SCIENCE) এর নাম। তারা সর্বোচ্চ মানের ডিগ্রী দিচ্ছে। এরপর আসে CVSAH (College of Veterinary Science and Animal Husbandry) এর নাম। নামগুলোতেই বুঝতে পারা যায় ওনারা ভেটেরিনারি ও এনিমেল হাজবেন্ড্রীকে কে সমানভাবেই মূল্যায়ন করছেন এবং দুটিকেই সমন্বয় করে ডিগ্রী দিচ্ছেন। যেখানে ভেটেরিনারিকে মূল বিষয় হিসাবে নিয়ে এর অন্তর্গত বিষয় হিসাবে এনিমেল হাজবেন্ড্রিও পড়ানো হয়। তারপরে হায়ার স্টাডিতে যে কোন বিষয়ে আরো বিশেষায়িত পড়াশুনা করার সুযোগ আছে। আবার বিশেষায়িত ক্ষেত্রে ফুড সায়েন্স, ডেইরি, পোল্ট্রি নিয়েও বিএসসি, পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ডিপ্লোমা চালু আছে। পাশাপাশি ভেটেরিনারি নার্সিংও চালু আছে। 

গবেষনার জন্য সকল উচ্চতর ডিগ্রীর ক্ষেত্রে ভেট এএইচ কোন কথা নেই, পোস্ট গ্র্যাজুয়েশনে কম্বাইন্ড ডিগ্রিধারি যে কেউ রিলেটেড সেক্টরে গবেষনা করতে পারছে। তবে বিশেষভাবে লক্ষণীয় বিষয় হলো পাবলিক সার্ভিসে ও গবেষনা প্রতিষ্টানে সবখানে গ্র্যাজুয়েশনে কম্বাইন্ড ডিগ্রিধারী বাধ্যতামুলক করা হয়েছে। বর্তমান প্রযুক্তির যুগে এ কথাগুলোর সত্যতা যে কেউ গুগলেই পেতে পারেন কিংবা যে কেউ তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখে আসতে পারেন। এক্ষেত্রে কেউ চাইলে দক্ষিণ এশিয়ার ভেটেরিনারি ও এনিমেল সাইন্স ক্যাম্পাসগুলোর ডিগ্রীর নামও দেখে নিতে পারেন। তাদের শিক্ষা মডেলটি কতটুকু সফল এটি বুঝার জন্য এটাই যথেষ্ট যে তাদের বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশের পোল্ট্রি সেক্টরে কনসালটেন্সি করে বছরে শত শত কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে।

অন্যদিকে আমাদের দেশে ভেট এএইচ অন্তর্দ্বন্ধ তৈরি করে শিক্ষাখাতের একটি অংশকে অপরিপক্ব মনে করে আরেকটি অংশ নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব চাপিয়ে দিতে গিয়ে সরকারি প্রাণিসম্পদ সেবা প্রতিষ্টান ডিএলএসেরও যথাযথ উন্নয়ন ঘঠেনি, National Veterinary Service গড়ে উঠেনি, এর দ্বারা কেবল দুটি ফ্যাকাল্টির গ্র্যাজুয়েটরাই শুধু ক্ষতিগ্রস্থ হয়নি, ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে দেশ ও জাতি। 

প্রাণিসম্পদ নিয়ে বাংলাদেশে একমাত্র প্রাণিসম্পদ গবেষনা প্রতিষ্টান বিএলআরআই। এটিকে এএইচদের পূনর্বাসন কেন্দ্র বানানো হয়েছে, ভেটরা সেখানে অচ্যুত। অথচ ভারতে সকল গবেষনা প্রতিষ্টানে কম্বাইন্ড ডিগ্রিধারি গ্র্যাজুয়েশনকে ভিত্তি ধরে এক্সপার্ট নিয়োগ করা হচ্ছে। ICAR- Indian Council of Agricultural Research এর Agricultural Scientist Recruitment Board এর সার্কুলারে উৎপাদন বিষয়ক সকল পদে যোগ্যতায় ভেটেরিনারি সায়েন্স উল্লেখ আছে, এমনকি ফিশারিজ/মেরিন ফিশারিজের সার্কুলারেও ভেটেরিনারি সায়েন্স উল্লেখ আছে। এর ফলাফল, ভারত বিশ্বে ২য় মাংস রপ্তানিকারক, দুধে স্বয়ংসম্পূর্ণ, তাদের নিজস্ব জিপি, স্ট্রেইন, এক্সপার্ট পুরো বিশ্বে রপ্তানি করছে। আর আমাদের বিএলআরআই ৪৮ বছরে উদ্ভাবন করেছে ইউএমএস ও শুভ্রা জাতের মুরগি যেটির অস্তিত্ব বাংলাদেশের কোন ফার্মে নেই।

জাত উন্নয়ন নিয়ে কথা বলতে গেলেই বলতে হবে এআইইটি ( Artificial Insemination & Embryo Transfer) প্রকল্পের কথায়, যার পিডি একজন ভেট!(ডাঃ বেলাল স্যার), যদি এমব্রায়ো ট্রান্সফার কিংবা টেস্টটিউব বেবি নিয়ে কথা বলি তবে আসবে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব গাইনি এন্ড অবস্ট্রেটিক্স এর ডাঃ বারি ম্যাডাম, ডাঃ জুয়েনা ম্যাডাম, ডাঃ শামসুদ্দিন স্যারের নাম। বিশ্বজুড়ে একই অবস্থা, কারন একি সাথে জেনেটিক্স, হরমোন, ফিজিওলজির বিশেষজ্ঞ না হলে জাত উন্নয়নের কাজ করা কিভাবে সম্ভব? হ্যা, শুভ্রার মত কাজির গরু পাওয়া যাবে যার গোয়ালে কোন হদিস থাকবেনা।

মানুষসহ প্রাণির রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে টিকা একটি অপরিহার্য বিষয়। বাংলাদেশে উৎপাদিত বার্ডফ্লু, রাণীক্ষেত, গামবোরো, কলেরা, এফএমডি, এনথ্রাক্স সহ সকল রোগের টিকা আবিষ্কার করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বা প্যাথলজি বিভাগের বিজ্ঞানীগণ।

আমাদের দেশের জন্য ভারত হলো বেস্ট মডেল কারন ভৌগোলিক, আর্থ-সামাজিক অবস্থান। কেউ যদি ইউরোপ আমেরিকাকে ফলো করতে চায় তবে সেটি হবে হাটা না শিখে দৌড়াতে শেখার মতো। একজন বাড়ি করতে গেলে বাজেট অনুসারে টিনের ঘর বা বিল্ডিং বা কত তলা হবে তার বাজেট অনুপাতে সেরকম ডিজাইন গ্রহন করে, তেমনি ভারতের মডেল আমাদের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। কারন শূন্য হতে একশতে যাওয়ার চেস্টা করার চেয়ে ষাট কিংবা সত্তুরে যাওয়ার চেস্টা করাই বেশি যৌক্তিক।

এরপর যদি আমরা লক্ষ্য করি ইউরোপিয়ান - আমেরিকানরা কিভাবে ডিগ্রি দিচ্ছেন। শুধু ইউরোপ -আমেরিকা নয় বিশ্বের শ্রেষ্টতম ভেটেরিনারি বিদ্যাপীঠ হিসবে যার নাম সবার আগে আসবে সেটি হলো Royal Veterinary College, London। অবাক হলেও সত্য তারা পিউর কম্বাইন্ড ডিগ্রি দিচ্ছে। তাদের পাঁচ বছরের কোর্সের প্রথম দুই বছরে প্রি-ক্লিনিকেল বিষয়গুলোর সাথে পড়ানো হচ্ছে এএইচের বিষয়গুলো! (ওয়েবসাইটে পাবেন)। তারা আবার প্যাথলজি, জেনেটিক্স ইত্যাদির বিএসসি ডিগ্রিও দিচ্ছে। উচ্চতর শিক্ষা ও গবেষনার সুযোগ সবার জন্য উন্মুক্ত! তাদের প্র্যাকটিসে ডিপ্লোমা বলতে বুঝায় পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ডিপ্লোমা। আমরা যেটিকে ডিপ্লোমা বলছি সেটিকে তারা বলছে ভেটেরিনারি নার্সিং! ভেটেরিনারি নার্সিং এ বিএসসিও তারা অফার করছে।

এনিমেল ও হিউমেন জন্মগতভাবেই দুই প্রজাতিই এনিমেল। মানুষের স্বাস্থ্য, রিপ্রডাকশন, ইমিউনাইজেশন সবকিছু এমবিবিএস ডিগ্রি দিয়ে কাবার হচ্ছেতো,নাকি? হ্যা, নিউট্রিশনসহ অনেক বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন আছে কিন্তু স্পেশালাইজেশন সবার জন্য উন্মুক্ত। তাহলে ডিভিএমকে বেইস ধরে পোস্ট গ্র‍্যাজুয়েশন সবাইকে করার সুযোগ দিয়ে প্রশাসনিক একতা ধরে রেখে পেশাকে এগিয়ে নিতে সমস্যা কোথায়?

বাকৃবির জন্মলগ্নে যেমন এক ছিলো দুটি ফ্যাকাল্টি, আবার যতদিন এক না হবে, ততদিন ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকবে আমাদের পেশা, দুই ফ্যাকাল্টি এবং অবশ্যই জনগন। ছাত্রদের সময়ের দাবি বুঝা উচিত,কম্বাইন্ড ডিগ্রির জন্য আন্দোলন করা উচিত। আজ‌কে যারা শিক্ষক আছেন, তা‌দের অনেকেই আম‌া‌দের বন্ধু, সমসাম‌য়িক সি‌নিয়র ভাই ও জু‌নিয়র ছোট ভাই। এছাড়াও বর্তম‌ান ছাত্ররাও তো শিক্ষক হ‌বে। সমস্যাটা কোথায় জা‌নো, শিক্ষক হিসা‌বে তা‌দের মান‌সিকতায়। ব্য‌ক্তিগত উপল‌ব্ধিই পা‌রে সমস্যার সমাধান দি‌তে।

চিকিৎসা ও মেনেজমেন্ট আলাদা বিষয় নয়, একটি অপরটির পরিপুরক। বিশ্বজুড়ে এভাবেই চলছে। একটি খামার যে ভেট দেখে, সেই ভেট ই ম্যানেজমেন্টও দেখে। দুই কাজ একজন পারলে খামারী কেনো দুইজন নেবো!! ডিএলএস সিদ্ধান্ত নিক কম্বাইন্ড ডিগ্রি ছাড়া কেউ কোন পোস্টে এপ্লাই করতে পারবেনা। পোল্ট্রি ফার্মে চাকরি করেছি, ল্যাবেও, কাস্টমার সার্ভিসেও, এখন ভেটেরিনারি সার্জন। কিন্তু কোথাও এটা দেখিনি ম্যানেজমেন্ট ও ট্রিটমেন্ট আলাদাভাবে লোক দিয়ে করানো যায় বা প্রয়োজন। বরং এএইচ যারা ফার্ম জব করে তারা কিন্তু ডাক্তারিও করে। সরকারি ফার্মে যেখানে এএইচ পিডি আছে সেখানে ভেট প্রয়োজন হয়। অথচ একজন কম্বাইন্ড ডিগ্রিধারি ভেট দুইটাই করতে পারে।

প্রাণিসম্পদ অফিস ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে দৈনিক শতাধিক লোক আসে সবাই কিন্তু চিকিৎসার জন্যই আসে,হ্যা কেউ ফার্ম ম্যানেজমেন্ট সংক্রান্ত পরামর্শ চাইলে সে চাহিদাও ভেটেরিনারি সার্জন নিজে মেটায়। বর্তমানে উপজেলা অফিস গুলোতে সেবা নিতে আসা জনগণের চাহিদা গুলো আমলে নিলেই সকল প্রকার প্রশ্নের উত্তর মিলে যাবে। যে জনগণের করের টাকায় দেশ চলে, তাদের চাহিদা অনুযায়ী অর্গানোগ্রাম হওয়া উচিত, কোন বিশেষ গোষ্ঠীর চাকরির নিশ্চয়তা দেয়ার জন্য জনগণের ওপর কোন অপ্রয়োজনীয় পদ পদবী চাপিয়ে দেয়ার মানে হয় না। দেশে প্রানিজ আমিষ নিরাপদ নয় কারন এন্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড ইত্যাদির অপব্যবহার। এই অপব্যবহার কারা করছে? কোয়াকরা, খামারিরা, দোকান্দাররা, কোম্পানিগুলো। তাহলে এই সমস্যার সমাধানের উপায় কি?

ভেটেরিনারি সার্ভিসকে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দিয়ে যথেষ্ট সংখ্যাক ভেট নিয়োগ দিয়ে টোটাল সার্ভিসকে আধুনিকায়ন করা। এর অংশ হিসেবে বিদ্যমান অর্গানোগ্রামকে আধুনিকায়ন ছিলো সময়ের দাবি, যা দীর্ঘদিন যাবত ঝুলে ছিলো ডিএলএসের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারনে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য প্রস্তাবিত অর্গানোগ্রাম নিয়েও দুটি পক্ষকে একমত করা যাচ্ছে না ক্ষুদ্র কিছু গোষ্ঠী স্বার্থকে কেন্দ্র করে।

নির্দিষ্ট কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অথবা ডিগ্রীর জন্য প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় নয়। সময়ের প্রেক্ষাপটে কম্বাইড কোর্স কারিকুলাম এখন সময়ের দাবি, এতে উভয় পক্ষই বেশি লাভবান হবে আশা করি। এত বছর দুই ফ্যাকাল্টি আলাদা রেখে নিজেদের আন্তঃকোন্দল ব্যতিত কেউ লাভবান হয়েছে কিনা আমার জানা নাই। দুইটি বিশ্ববিদ্যালয় বাদে সকল বিশ্ববিদ্যালয়েই এই কোর্স কারিকুলাম বিদ্যমান। তাই আসুন পেছনে টানাটানির কালচার থেকে বেরিয়ে, প্লেট ছোড়াছুড়ি বাদ দিয়ে এক প্লেটে বসে খাবার খাওয়ার পরিবেশ তৈরী করি এবং দেশের প্রাণিসম্পদের উন্নয়নে একসাথে কাজ করি।

ডাঃ মোঃ নূরে আলম
ভেটেরিনারি সার্জন
উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল, সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
nurealamdr@gmail.com




  এ বিভাগের অন্যান্য