www.agribarta.com:: কৃষকের চোখে বাংলাদেশ

দিনাজপুরে পাইকারি ও খুচরা বাজারে কমেছে চালের দাম


 এগ্রিবার্তা ডেস্ক    ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২, সোমবার, ৬:১৯   কৃষি পণ্য বিভাগ


দিনাজপুরে কমতে শুরু করেছে চালের দাম। কাটারি সেদ্ধ ছাড়া বাজারে সব ধরনের চালের দাম কেজিপ্রতি ৪-৬ টাকা এবং পাইকারি বাজারে বস্তাপ্রতি ২০০-২৫০ টাকা কমেছে। গতকাল জেলার পাইকারি ও খুচরা চালের বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গিয়েছে।

দিনাজপুর শহরের সবচেয়ে বড় খুচরা চালের বাজার বাহাদুর বাজারের চাল বিক্রেতারা বণিক বার্তাকে জানান, তিন-চারদিন ধরে চালের বাজার নিম্নমুখী। সবচেয়ে বেশি কমেছে নাজিরশাইল, শম্পা ও মিনিকেট চালের দাম। পাঁচদিন আগেও প্রতি কেজি নাজিরশাইল চাল ৮০-৮৪ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। গত দুদিন সে নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে ৭৫-৭৮ টাকা কেজি দরে। ৫০ কেজি ওজনের এক বস্তা মিনিকেট জাতের চাল ৩ হাজার ৬০০ টাকার স্থলে বর্তমানে ৩৫০ টাকা কমে ৩ হাজার ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ৫ টাকা কমে বর্তমানে ৬৫-৬৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

শহরের বাসুনিয়া পট্টি এলাকার খুচরা ও পাইকারি চালবিক্রেতা উত্তরা চালঘরে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি কেজি শম্পা কাটারি সেদ্ধ চাল ৬৫-৬৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দোকানের মালিক চন্দন দাস বণিক বার্তাকে বলেন, তিনদিন আগেও প্রতি কেজি শম্পা

সেদ্ধ চাল ৬৮-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। একই ধারাবাহিকতায় ব্রি-২৮ চালের দাম কমে ৫৫-৫৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারে প্রতি বস্তা ২৮ চাল বিক্রি হচ্ছিল ২ হাজার ৯০০ টাকায়। বর্তমানে সে চাল বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৭৫০ টাকায়। একইভাবে স্বর্ণা সেদ্ধ চাল গতকাল কেজিপ্রতি চার টাকা কমে ৪৬ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। প্রতি বস্তা স্বর্ণা চাল ১৫০ টাকা কমে এখন ২ হাজার ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

দিনাজপুর সদর উপজেলার শিকদারগঞ্জ বাজারে খুচরা চালবিক্রেতা রবীন চন্দ্র সিং এবং রেজাউল আলম জানান, গ্রামের এ বাজারে নিম্ন আয়ের মানুষের চাহিদার গুটি স্বর্ণা চাল বস্তাপ্রতি ১০০ টাকা কমে ২ হাজার ২০০-২ হাজার ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা ৪৩-৪৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে হাইব্রিড জাতের চালের দাম প্রতি কেজি ৪২ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানিয়েছেন পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা।

অন্যদিকে সুগন্ধিযুক্ত পোলাও এবং বিরিয়ানি রান্নার আতপ চালের বাজারেও নিম্নমুখিতা লক্ষ্য করা গিয়েছে।

দিনাজপুর চালকল মালিক গ্রুপের সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন জানান, ভারতসহ বিভিন্ন দেশ থেকে চাল আমদানি, মজুদকারীদের চাল বাজারে ছেড়ে দেয়া, নতুন আউশ ধানের সরবরাহ এবং নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ওএমএসের মাধ্যমে চাল ও আটা বিক্রির সরকারি উদ্যোগ গ্রহণের কারণে দেশে চালের বাজার নিম্নমুখী।

 




  এ বিভাগের অন্যান্য