www.agribarta.com:: কৃষকের চোখে বাংলাদেশ

সম্ভাবনা দেখানো কৃষিপণ্য রপ্তানি একাধিক সমস্যায়


 এগ্রিবার্তা ডেস্ক    ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ৭:২৭   কৃষি অর্থনীতি  বিভাগ


নতুন খাত হিসেবে রপ্তানিতে আশা দেখাচ্ছিল কৃষিজাত পণ্য। পাঁচ বছরের ব্যবধানে এই খাতের পণ্য রপ্তানি বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। গত দুই অর্থবছরের প্রতিটিতে ১০০ কোটি ডলারের বেশি পণ্য রপ্তানি হয়েছে। তবে চলতি ২০২২–২৩ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাই থেকে রপ্তানি কমে যায়। আগস্টে অবশ্য রপ্তানি কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালেও সামগ্রিকভাবে দুই মাসে কৃষিপণ্য রপ্তানি কমেছে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে ৬ কোটি ৩৯ লাখ ডলারের কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি হয়, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৫ শতাংশ কম। আগস্টে ১১ কোটি ৪৩ লাখ ডলারের কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি হয় ৫ শতাংশ। দুই মাসে কৃষিজাত পণ্যের রপ্তানি কমেছে ১৪ শতাংশ।

কৃষিজাত পণ্যের মধ্যে প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য, তাজা ও হিমায়িত সবজি রপ্তানি হয়। রপ্তানিকারকেরা বলছেন, বছরখানেক ধরে অধিকাংশ গন্তব্যে জাহাজভাড়া কয়েক গুণ বেড়েছে।

গত জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত প্যাকেজিং পণ্যের দাম ৩৭ শতাংশ, ডলারের দাম ২০ থেকে ২৫ শতাংশ আর সাম্প্রতিক সময়ে ময়দার দাম ৫৪ শতাংশ বেড়েছে। সয়াবিন তেলের দামও বাড়তি। এসব কারণে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমেছে অধিকাংশ কারখানার।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যানুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে কৃষিজাত পণ্যের রপ্তানি ছিল ৬৭ কোটি ডলার। সর্বশেষ ২০২১–২২ অর্থবছরে সেটি বেড়ে ১১৬ কোটিতে ওঠে। গত দুই অর্থবছরে যথাক্রমে ১৯ ও ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে তাজা ও হিমায়িত উভয় ধরনের সবজিই রপ্তানি হয়। কৃষিজাত পণ্য রপ্তানিতে সবজির হিস্যা সাড়ে ৮ শতাংশ। গত অর্থবছরে কৃষিজাত পণ্যের সামগ্রিক রপ্তানি বাড়লেও সবজি ছিল নিম্নমুখী। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ৭৪ লাখ ডলারের সবজি রপ্তানি হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৭৫ শতাংশ কম।

সবজি রপ্তানিকারকেরা বলছেন, করোনার পর উড়োজাহাজভাড়া বেড়ে যাওয়ায় ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে সবজি রপ্তানি কমেছে। ইউরোপের দেশগুলোতে করোনার আগে প্রতিকেজি সবজি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজে ১৫০ টাকায় পাঠানো যেত। বর্তমানে লাগছে ২৫০ টাকার কাছাকাছি।

গত জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত প্যাকেজিং পণ্যের দাম ৩৭ শতাংশ, ডলারের দাম ২০ থেকে ২৫ শতাংশ আর সাম্প্রতিক সময়ে ময়দার দাম ৫৪ শতাংশ বেড়েছে। সয়াবিন তেলের দামও বাড়তি। এসব কারণে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমেছে অধিকাংশ কারখানার।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যানুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে কৃষিজাত পণ্যের রপ্তানি ছিল ৬৭ কোটি ডলার। সর্বশেষ ২০২১–২২ অর্থবছরে সেটি বেড়ে ১১৬ কোটিতে ওঠে। গত দুই অর্থবছরে যথাক্রমে ১৯ ও ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে তাজা ও হিমায়িত উভয় ধরনের সবজিই রপ্তানি হয়। কৃষিজাত পণ্য রপ্তানিতে সবজির হিস্যা সাড়ে ৮ শতাংশ। গত অর্থবছরে কৃষিজাত পণ্যের সামগ্রিক রপ্তানি বাড়লেও সবজি ছিল নিম্নমুখী। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ৭৪ লাখ ডলারের সবজি রপ্তানি হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৭৫ শতাংশ কম।

সবজি রপ্তানিকারকেরা বলছেন, করোনার পর উড়োজাহাজভাড়া বেড়ে যাওয়ায় ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে সবজি রপ্তানি কমেছে। ইউরোপের দেশগুলোতে করোনার আগে প্রতিকেজি সবজি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজে ১৫০ টাকায় পাঠানো যেত। বর্তমানে লাগছে ২৫০ টাকার কাছাকাছি।




  এ বিভাগের অন্যান্য