দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে নদী–নালা, খাল–বিল ও প্রাকৃতিক জলাশয় সংরক্ষণকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ এই প্রজাতির মাছ টিকিয়ে রাখতে হলে সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
রোববার (২৪ আগস্ট) সকালে মৎস্য অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। তারা জানান, দক্ষিণাঞ্চল মাছ চাষের উর্বর এলাকা।
এখান থেকে প্রতিবছর দেশের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ চিংড়ি রপ্তানি হয়, যা জাতীয় অর্থনীতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে অভয়াশ্রমগুলোর কার্যক্রম আরও সক্রিয় করার ওপরও গুরুত্ব দেন বক্তারা।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম। সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদরুজ্জামান।
বক্তব্য রাখেন মৎস্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক বিপুল কুমার বসাক, কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাবরেটরির কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স ম্যানেজার মো. জাহিদুল হাসান এবং মৎস্য খামারি শেখ রেজানুল ইসলাম। সাত দিনব্যাপী সপ্তাহের মূল্যায়ন বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিনিয়র সহকারী পরিচালক এটিএম তৌফিক মাহমুদ।
