
'প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অক্লান্ত পরিশ্রমে দেশের কৃষিখাতে আজ উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। মাছ, মাংস, সবজি উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে রোল মডেল। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে প্রধানমন্ত্রী দেশের সাধারণ মানুষের জন্যে নিরলসভাবে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন।'
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) শোকের মাস উপলক্ষে আয়োজিত 'শোকাবহ আগস্ট: বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ' শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক এ. কে. এম. আফজালুর রহমান বাবু। বুধবার (২৪ আগস্ট) বিকাল ৪ টার দিকে বাকৃবির শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন মিলনায়তনে ওই আলোচনা সভার আয়োজন করে বাকৃবি গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের একাংশ।
আফজালুর রহমান বাবু আরও বলেন, ১৫ আগস্টের ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড ও ২১আগস্টে শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত সকলের প্রতি নিন্দা জানাই। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা এদেশে এত নির্বিঘ্নে চলতে পারবে না, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যু দন্ড নিশ্চিত করতে হবে। । যারা বাংলাদেশকে পাকিস্তান রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
বাকৃবি গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের (একাংশের) সভাপতি অধ্যাপক ড. এম.এ.এম. ইয়াহিয়া খন্দকারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ড. পূর্বা ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. আহকাম উল্লাহ। অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক ছিলেন বাকৃবির কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মন্জুরুল আলম এবং স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন আয়োজক কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. মো. এমদাদুল হক চৌধুরী। এছাড়া বাকৃবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মো. আহকাম উল্লাহ বলেন,১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশকে হত্যা করা হয়। বাঙালির বাংলাদেশকে পাকিস্তানী ধারায় মিশিয়ে ফেলতে চেয়েছিল একটি রাজনৈতিক দল।২০০৪ সালে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করার চেষ্টা করা হয় কিন্ত তারা ব্যর্থ হয়। দেশজুড়ে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের ষড়যন্ত্র এখনো অব্যাহত আছে। বাংলাদেশ একটা অসাম্প্রাদায়িক রাষ্ট্র। এদেশে হিন্দু,মুসলিম, খ্রিস্টানসহ সকল ধর্মের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে শুধু মুখে বললেই হবে না আদর্শকে মনে ধারণ করতে হবে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক মুক্তি দান করেছেন। তাই দেশের উন্নয়নে সকলকে একসাথে হাতে হাত রেখে একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে যেতে হবে।