ঢাকা, ১১ জানুয়ারি ২০২৬, রবিবার

হলুদ তরমুজ চাষে সুমনের সাফল্য



উদ্যোক্তা

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

(২ সপ্তাহ আগে) ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, বৃহস্পতিবার, ৭:৪১ অপরাহ্ন

agribarta

টাঙ্গাইলের যমুনা নদীর তীর। ভূঞাপুর উপজেলার চরাঞ্চল। ভুট্টা ও বাদাম চাষে সাফল্যের পর এবার হলুদ তরমুজে আলো ছড়িয়েছেন তরুণ কৃষক সুমন মিয়া। তার সাফল্যে বদলাচ্ছে চরাঞ্চলের কৃষির গতানুগতিক ধারা।

গাবসারা ফলদাপাড়া নদীভাঙন এলাকা এক সময় অনাবাদি জমি ও ঝুঁকিপূর্ণ চাষের জন্য পরিচিত ছিল। আগে এখানে বাদাম, ভুট্টা বা তামাক ছাড়া ফসল কম হতো। এবার সেই চরে নতুন ইতিহাস লিখেছেন ভূঞাপুর সরকারি ইব্রাহিম খাঁ কলেজের ডিগ্রি শিক্ষার্থী সুমন (২৮)। ইউটিউব দেখে প্রথমবার হলুদ তরমুজ চাষ শুরু করে সফল হন তিনি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) খুলনা কৃষি অঞ্চল সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে ভূঞাপুর, নাগরপুর, কালিহাতী ও টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চরাঞ্চলে প্রায় ৪ হেক্টর জমিতে তিন জাতের তরমুজ চাষ হচ্ছে। মাঠজুড়ে এখন সবুজ লতা। খরচ কম। লাভ বেশি। এই আশা কৃষকদের চোখে।

সুমন মিয়া বলেন, ‘ইউটিউবে হলুদ তরমুজের ফলন দেখে আগ্রহ জাগে। সাহস করে ৫ বিঘা জমি লিজ নিয়ে চাষ শুরু করি। তৃপ্তি, মধুমালা ও পাকিজা জাতের বীজ রোপণ করেছি। প্রায় ৫ হাজার গাছে তরমুজ ধরেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সব মিলিয়ে খরচ হয়েছে ৬ লাখ টাকা। ৫ বিঘা জমি থেকে ৫ লাখ টাকা লাভের আশা করছি। প্রতিটি তরমুজের গড় ওজন ৫ থেকে ৭ কেজি। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিষমুক্ত তরমুজ বাজারে যাবে।’

খেত দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন মানুষ। দূর-দূরান্ত থেকে আসছেন উৎসুক দর্শনার্থী। স্থানীয় কৃষক আব্দুল হাকিম বলেন, ‘আমরা এতদিন তামাক চাষ করতাম। লাভ কম। ক্ষতি বেশি। সুমনের তরমুজ দেখে বুঝেছি, চরে নতুন সম্ভাবনা আছে। আমিও আগামী বছর তরমুজ চাষ করব।’ চর গাবসারার কৃষক মো. লাল মিয়া বলেন, ‘নদীভাঙনের ঝুঁকি থাকলেও তরমুজে লাভের সম্ভাবনা বেশি। অল্প সময়েই ভালো আয় হবে।’

রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বালুমাটি যে তরমুজের জন্য এত উপযোগী, আগে বুঝিনি।’

রফিকুলের মতোই শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘তামাক জমি ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তরমুজ পরিবেশবান্ধব। লাভও বেশি।’ 

চরাঞ্চলের কৃষক আব্দুস সালাম বলেন, ‘আগে এই জমিতে ফসল হতো না। এখন তরমুজ দেখে নতুন স্বপ্ন দেখছি।’ জাহিদ হোসেন বলেন, ‘সুমন দেখিয়ে দিয়েছেন, চরেও নতুন চিন্তা করলে সফল হওয়া যায়। আমিও প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

জাহিদুলের মতোই জাহিদ হোসেন বলেন, ‘সুমন দেখিয়ে দিয়েছেন, চরেও নতুন চিন্তা করলে সফল হওয়া যায়। আমিও প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

আরেক  কৃষক জাহিদ হোসেন বলেন, ‘সুমন আমাদের দেখিয়ে দিয়েছেন, চরেও নতুন চিন্তা করলে সফল হওয়া যায়। আমিও প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

আরেক কৃষক জাহিদ হোসেন বলেন, ‘সুমন আমাদের দেখিয়ে দিয়েছেন, চরেও নতুন চিন্তা করলে সফল হওয়া যায়। আমিও প্রস্তুতি নিচ্ছি।’ 

ভূঞাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘গোল্ডেন ক্রাউন জাতের হলুদ তরমুজ নতুন জাত। মৌসুমের বাইরে চাষ করা যায়। ফলন বেশি। বাজারমূল্য ভালো।’ (সূত্র- খবরের কাগজ)
 

 

উদ্যোক্তা থেকে আরও পড়ুন

সর্বশেষ

agribarta
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা
বিলুপ্ত প্রাণী সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি