ঢাকা, ৯ মে ২০২৬, শনিবার

সরকারের সাহসী সিদ্ধান্তে এবার ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী



কৃষি

এগ্রিবার্তা ডেস্ক


Deprecated: Creation of dynamic property DateInterval::$w is deprecated in /home/agribart/public_html/func/common-func.php on line 63

(১২ ঘন্টা আগে) ৮ মে ২০২৬, শুক্রবার, ৯:২১ অপরাহ্ন

agribarta

সরকারের কিছু কৃষকবান্ধব সাহসী সিদ্ধান্তে এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে যশোর খাদ্য গুদামে চলতি বোরো মৌসুমে ধান সংগ্রহের উদ্বোধনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ইরান-আমেরিকা যুদ্ধে বিশ্বে জ্বালানি সরবরাহ চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়েছিল। বাংলাদেশও পড়েছিল ঝুঁকির মধ্যে। তারেক রহমানের তাৎক্ষণিক সাহসী সিদ্ধান্তে জনগণের সহযোগিতায় সেই পরিস্থিতি মোকাবিলা সফলভাবে করতে পেরেছি। সরকারের সিদ্ধান্ত ছিল, প্রয়োজনে গাড়ির জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ রেখে কৃষকের সেচের জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতের। আমাদের সিদ্ধান্ত ছিল, প্রয়োজনে শহরের মানুষের বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে কিন্তু কৃষকের সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে না। আমরা নানা সংকটেও কৃষকের বিদ্যুৎ জ্বালানি কৃষকের ধান ক্ষেতে পৌঁছে দিতে সমর্থ হয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘সরকারের কৃষকবান্ধব এই সিদ্ধান্তের ফলশ্রুতিতে সারা দেশে এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এই বোরো ধান দেশের মূল ফসল। এটি ভালো হলে দেশের অর্থনীতি ভালো থাকে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে কৃষি ক্ষেত্রে যে অগ্রযাত্রা তার সূচনা করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। হাতের কালি মোছার আগেই সরকার কৃষক কার্ড প্রদানের মাধ্যমে নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করেছে। যার মাধ্যমে কৃষকরা সরকারি ভর্তুকি মূল্যে সব কৃষি উপকরণ কিনতে পারবে। প্রয়োজন কৃষক স্বল্প সুদে কৃষি ঋণ নিতে পারবে। সরকার তার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা কৃষি ঋণ মওকুফ করেছে। আজকে কৃষি ক্ষেত্রে যে অগ্রযাত্রা তার সূচনা করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি খাল খনন কর্মসূচি থেকে শুরু করে বিদেশ থেকে উন্নত মানের সার বীজ, যন্ত্রপাতিসহ সব প্রকার কৃষি উপকরণ এনে দেশের কৃষিতে সবুজ বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। দেশ খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ং সম্পূর্ণ হয়। দেশের কৃষি খাতের অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পিতার সব কর্মসূচি নতুনভাবে শুরু করেছেন।’

এবারে সরকারের বেঁধে দেওয়া ধানের দাম সচরাচর কোনও সরকারই দেয় না দাবি করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের বেঁধে দেওয়া ধানের দাম প্রতি কেজি ৩৬ টাকা; এটা ভালো দাম। সচরাচর সরকার এই দাম দেয় না। এই দামের ফলে কৃষক তার উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম পাবে; অপরদিকে এই খাদ্য অধিদফতরও তার প্রয়োজনীয় ধান ও চাল সংগ্রহ করতে পারবে। যার প্রভাবে বাজার স্থিতিশীল করতে সম্ভব জবে।’

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সেফাউর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরিয়ার হক প্রমুখ।

কৃষি থেকে আরও পড়ুন

সর্বশেষ

agribarta
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
মৎস্য আহরণকারীরা কৃষক কার্ডের আওতায় আসবেন