ঢাকা, ১৭ মে ২০২৬, রবিবার

মানিকগঞ্জে বেগুন চাষে লাভবান কৃষক



কৃষি

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

(১ বছর আগে) ২১ ডিসেম্বর ২০২৪, শনিবার, ১০:২৬ পূর্বাহ্ন

agribarta

মানিকগঞ্জের তিল্লি, চরতিল্লি ও পারতিল্লি এলাকায় বেগুন চাষে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। এখানে কৃষকেরা বেগুন চাষে ঝুঁকছেন কারণ এই অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া বেগুন চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। গত বছর এই এলাকায় ১ হাজার ৮৫ হেক্টর জমিতে বেগুন চাষ করা হয়েছিল, এবং এ বছর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ানোর আশা করা হচ্ছে।

সাটুরিয়া উপজেলায় সবচেয়ে বেশি সবজি চাষ হয়, যেখানে ১ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৩১ হেক্টর জমিতে শুধুমাত্র বেগুন চাষ হয়েছে। তিল্লি ইউনিয়নে ৩৪০ হেক্টর জমিতে বেগুন চাষ হচ্ছে, যা স্থানীয় কৃষকদের জন্য একটি লাভজনক উদ্যোগ।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, "এলাকার অধিকাংশ কৃষক এখন বেগুন চাষের দিকে ঝুঁকছেন। কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় প্রতি বছর চাষের পরিমাণ বাড়ছে।" প্রতিদিন প্রায় ২২ হাজার কেজি বেগুন বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে, বিশেষ করে ঢাকা, খুলনা ও বরিশালে।

চরতিল্লি গ্রামের কৃষক ফরিদ হোসেন বলেন, “এ বছর আমি ৩ বিঘা জমিতে বেগুন চাষ করেছি এবং খরচ হয়েছে প্রায় ১ লাখ টাকা। আমি ইতোমধ্যে দেড় লাখ টাকার বেগুন বিক্রি করেছি এবং আশা করছি আরও ১ লাখ টাকার বিক্রি করতে পারব।”

অন্যদিকে, পারতিল্লি গ্রামের কৃষক সোনামুদ্দিন বেপারী জানান, “বাজারে সবজির দাম বেশি হলেও আমরা তেমন দাম পাই না। আমাদের হাতে আসার আগেই বাজারে সবজির দাম দ্বিগুণ হয়ে যায়।”

বেগুনের বাজার মূল্য সম্পর্কে কৃষক রবিন হোসেন বলেন, “আমাদের এলাকায় চরতিল্লি আর পারতিল্লি গ্রামে সবচেয়ে বেশি বেগুন চাষ হয়। প্রতিদিন চরতিল্লি বাজার থেকে প্রায় ২২ হাজার কেজি বেগুন বিভিন্ন জেলায় যায়।”

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. রবী আহ নূর আহমেদ জানিয়েছেন, "গত বছর জেলায় ১ হাজার ৮৫ হেক্টর জমিতে বেগুন চাষ হয়েছিল এবং এ বছর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াবে বলে আশা করছি।" তিনি আরও বলেন, "এখনো কিছু জায়গায় নতুন করে চারা রোপণ হচ্ছে এবং কৃষকদের পরিচর্যা ভালো হয়েছে।"

কৃষি থেকে আরও পড়ুন

সর্বশেষ