ঢাকা, ১১ জানুয়ারি ২০২৬, রবিবার

জলবায়ুর পরিবর্তনে মারাত্মক ঝুঁকিতে দ: এশিয়ার কৃষি



পরিবেশ

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

(১ সপ্তাহ আগে) ১ জানুয়ারি ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৬:০২ অপরাহ্ন

agribarta

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব দক্ষিণ এশিয়ার কৃষিব্যবস্থাকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলছে। ঘন ঘন বন্যা, খরা, লবণাক্ততা ও তাপমাত্রা বাড়ার কারণে উৎপাদন যেমন হুমকিতে পড়ছে, তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষকের জীবিকা। এই প্রেক্ষাপটে কৃষিকে জলবায়ু-সহিষ্ণু ও টেকসই করতে বিকল্প আর্থিক ব্যবস্থাপনা হিসেবে কার্বন ট্রেডিংয়ের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা জোরদার হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় সার্ক কৃষিকেন্দ্রের (এসএসি) উদ্যোগে গতকাল ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ‘দক্ষিণ এশিয়ার কৃষি খাতে কার্বন ট্রেডিংয়ের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’। এসএসি আয়োজিত এই প্রশিক্ষণে সার্কভুক্ত দেশগুলোসহ বিভিন্ন দেশের নীতিনির্ধারক, গবেষক, উন্নয়নকর্মী ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। কর্মসূচিতে কৃষি খাতে টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমে কার্বন ট্রেডিং কিভাবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়ে অভিজ্ঞতা ও মতবিনিময় করা হচ্ছে।

উদ্বোধনী অধিবেশনে স্বাগত ও সূচনা বক্তব্যে সার্ক কৃষিকেন্দ্রের পরিচালক ড. মো: হারুনুর রশিদ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দক্ষিণ এশিয়ার কৃষি খাত দিন দিন আরো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। এই অবস্থায় কৃষকদের সহায়তা দিতে নতুন ও উদ্ভাবনী আর্থিক ব্যবস্থাপনা জরুরি। সঠিকভাবে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করা গেলে কার্বন ট্রেডিং কৃষিতে জলবায়ুবান্ধব চর্চা বিস্তারে সহায়ক হতে পারে এবং একই সাথে গ্রামীণ জীবিকা উন্নয়নেও ভূমিকা রাখবে।

তিনি সার্ক কাঠামোর আওতায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে সদস্য দেশগুলো ন্যায্য সুযোগ পায় এবং অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান ভাগাভাগি করা সম্ভব হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো: আবদুস সালাম বলেন, কৃষি খাতে কার্বন হিসাব নিরূপণের জন্য নির্ভরযোগ্য ও বৈজ্ঞানিক তথ্য তৈরিতে শক্তিশালী গবেষণা সহায়তা অপরিহার্য। কার্বন ট্রেডিং উদ্যোগ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে এবং এটি যেন খাদ্য নিরাপত্তার সাথে সাংঘর্ষিক না হয়ে বরং পরিপূরক হিসেবে কাজ করে, সে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখতে হবে। একই সাথে প্রমাণভিত্তিক নীতি প্রণয়ন ও আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে এসব উদ্যোগকে বাস্তবসম্মত ও ন্যায্য করার আহ্বান জানান তিনি।

পরিবেশ থেকে আরও পড়ুন

সর্বশেষ

agribarta
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা
বিলুপ্ত প্রাণী সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি