ঢাকা, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার

বাকৃবিতে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা



ক্যাম্পাস

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি, বাকৃবি

(১০ ঘন্টা আগে) ১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৮:৪৭ অপরাহ্ন

agribarta

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসে অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে "ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা"।শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ মেলায় প্রায় ২ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। ছাত্র-ছাত্রীদের সৃজনশীলতা বিকাশ এবং বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এমন উদ্যোগ নেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। 

মেলায় প্রথম থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্প ও সৃজনশীল কাজ প্রদর্শন করা হয়।পরে শ্রেণিভিত্তিকভাবে শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে সেরা প্রকল্পগুলো নির্বাচন করে পুরস্কৃত করা হবে বলে জানান আয়োজকরা।


স্কুল পরিচালনা কমিটির সভকপতি অধ্যাপক ড. মো: মাহমুদুল আলমের সভাপতিত্বে এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক, উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম, গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ওয়াকিলুর রহমান, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো: হেলাল উদ্দীন, ইনফরমেশন ও মনিটরিং সেলের ডেপুটি রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো: জহিরুল আলম। এছাড়াও বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং দর্শনার্থীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।


 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, ছোটদের এ কচি মনে বিজ্ঞান নিয়ে ভাবনা, মন মানসিকতা তৈরি হচ্ছে, এটা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তোমরা সময়, কায়িক শ্রম এবং মেধা দিয়ে সুন্দর কিছু করেছো এবং অনেক সুন্দর করে উপস্থাপন করতে পেরেছ।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, তোমরা বলেছ সবরকম পেশায় যেতে চাও, এটা অনেক ভাল। এমন বাংলাদেশ গঠন করা জরুরি যেখানে সবরকম পেশাজীবী থাকবে। এছাড়াও এ বিদ্যালয়ের জন্য আরেকটি গর্ব হল এবছর ৪৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৬ জন বৃত্তি পেয়েছে। এটা অত্যন্ত প্রশংসার দাবি রাখে।


 

অনুষ্ঠানের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো: মাহমুদুল আলম বলেন, বাচ্চাদেরদের মেধা বিকাশের জন্য যে উদ্ভাবনী বিষয়টি সেখানে সবার সহযোগিতা না থাকলে  এটা সম্ভব ছিল না। বাচ্চারা তোমরা অনেক কষ্ট ও পরিশ্রম করে , চিন্তাভাবনা করেই এই প্রজেক্টগুলো এখানে নিয়ে এসেছ। আজকের শিশুই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। আগামী দিনে তোমরা অনেক বড় হও।

ক্যাম্পাস থেকে আরও পড়ুন

সর্বশেষ