ঢাকা, ৩ এপ্রিল ২০২৬, শুক্রবার

দেশে রঙিন মুলার চাষ নিয়ে গবেষণা



গবেষণা

এগ্রিবার্তা ডেস্ক

(১ বছর আগে) ২১ ডিসেম্বর ২০২৪, শনিবার, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন

agribarta

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হারুন অর রশিদ বর্তমানে দেশে রঙিন জাতের মুলা নিয়ে গবেষণা করছেন। এই গবেষণার উদ্দেশ্য হলো, রঙিন মুলাগুলো সঠিকভাবে চাষ করা যায় কি না তা পরীক্ষা করা। তিনি জানান, তাদের গবেষণায় বেগুনি, লাল, গোলাপি, লাল-সাদা মিশ্রণসহ আটটি গোলাকার ও ডিম্বাকৃতির রঙিন জাত এবং ছয়টি বিদেশি জাতসহ মোট ১৭টি জাতের মুলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অধ্যাপক হারুন বলেন, “বিদেশে বিশেষ করে আমেরিকা, ইউরোপ, ব্রিটেন ও জাপানে রঙিন গোলাকার মুলাকে সালাদ হিসেবে খাওয়া হয়। তবে আমাদের দেশের আবহাওয়া ও মাটিতে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এই রঙিন জাতের মুলাগুলো সঠিকভাবে চাষাবাদ করা যায় কি না তা জানার জন্যই আমরা এই পরীক্ষামূলক গবেষণা করছি।”

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ মুলা রান্না করে খায়, কিন্তু গোলাকার রঙিন মুলায় হালকা ঝাঁজ থাকলেও কাঁচা খেলে মুখে গন্ধ তৈরি হবে না। এর আকর্ষণীয় রং এবং আকৃতির কারণে এটি শসার বিকল্প হিসেবে সালাদে ব্যবহৃত হতে পারে।

গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, রঙিন মুলাতে এন্থোসায়ানিন ও এন্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এগুলো ডায়াবেটিস কমাতে, রক্তের সুগার ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং ফাইবার রয়েছে।

অধ্যাপক হারুন জানান, এই রঙিন মুলার ক্ষেত্রে শীতকালীন মৌসুমে মাত্র ২৫-৩০ দিনে ফলন পাওয়া সম্ভব। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচলিত জাতগুলোর তুলনায় এটি দ্রুত ফলন দেয়। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সরকারি ও বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে তারা এই গবেষণাকে আরও বিস্তৃতভাবে পরিচালনা করতে পারবেন।

গবেষণা থেকে আরও পড়ুন

সর্বশেষ