ঢাকা, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মঙ্গলবার

অবিলম্বে বাকসু ও শাকসু নির্বাচনের দাবি বাকৃবি ছাত্রশিবিরের



ক্যাম্পাস

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি, বাকৃবি

(২ সপ্তাহ আগে) ২০ জানুয়ারি ২০২৬, মঙ্গলবার, ৭:৪৫ অপরাহ্ন

agribarta

সিলেটের  শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির। এসময় অবিলম্বে শাকসু ও দীর্ঘদিন ধরে অচল বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (বাকসু) নির্বাচন আয়োজনের জোর দাবি জানানো হয়।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকাল পাঁচটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তন সংলগ্ন মুক্তমঞ্চে ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বাকৃবি শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি আবু নাছির ত্বোহার নেতৃত্বে  সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীরা  মানববন্ধনে অংশ নেন।

এসময় বাকসু ও শাকসু নির্বাচনের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন তারা। 'বাকসু চাই, দিতে হবে', 'শাকসু চাই, দিতে হবে', 'জাতীয় নির্বাচন আরাম, ছাত্রসংসদ নির্বাচন হারাম?', 'হারার ভয়ে খেলেনা, সেই কথা তো বলেনা', 'ইসি যদি ভয় পায়, জাতীয় নির্বাচনে কী উপায়?', 'ছাত্রদের কণ্ঠস্বর দমন বন্ধ করো', 'গণতন্ত্র আমাদের অধিকার' প্রভৃতি স্লোগানে প্রতিবাদ জানানো হয়। 

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি কথিত বড় দলের ছাত্র সংগঠন মববাজি করে আদালত থেকে রায় নিয়েছে। আমরা আপনাদের মববাজিকে বৃদ্ধা আঙ্গুলি দেখাই। স্থগিত হওয়া শাকসু নির্বাচন অতি দ্রুতই দিতে হবে। আমরা আদালতকে মান্য করি, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কিন্তু গণতন্ত্রকে হত্যা করে এই ধরনের কাজ আপনারা করবেন না। আপনারা যদি আবার সেই ফ্যাসিস্ট হতে চান ‎তাহলে মনে রাখবেন ছাত্র জনতা যেহেতু রক্ত দিতে শিখেছে, সেই রক্ত দিয়েই সকল ধরনের ফ্যাসিস্টকে প্রতিহত করব ইনশাল্লাহ।

মানববন্ধনে বাকৃবি ছাত্রশিবির সভাপতি আবু নাছির ত্বোহা বলেন,

একটি প্রবাসী নেতা দেশে এসে বলেছিলেন "আই হ্যাভ অ্যা প্লান" এই প্লান মানে কি গণতন্ত্রকে হত্যা করা? ছাত্র সংসদ গুলোকে বন্ধ করা? যদি এই হয় তাহলে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিতে চাই । ছাত্র-জনতা অবশ্যই অবশ্যই লাল কার্ড দেখিয়ে আবারও সেই প্রবাসে ফেরত পাঠাবে, ইনশাআল্লাহ। 

তিনি দাবি জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাকসু আয়োজন করতে হবে, সেই সাথে স্থগিত হওয়া শাকসু নির্বাচন অতি দ্রুতই বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সাথে এই দাবি জানাতে চাই, বাংলাদেশে ১৯ জন ঋণ খেলাপি সংসদ সদস্য প্রার্থী হয়েছে। তারা যদি ক্ষমতায় না থেকেই ১৮শ কোটি টাকা লোপাট করতে পারে, ক্ষমতায় আসলে আল্লাহই জানেন কি হবে। তাদের এই প্রার্থীতা আবারো বিবেচনায় নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত জানাতে হবে।

ক্যাম্পাস থেকে আরও পড়ুন

সর্বশেষ