
প্রক্রিয়াজাত খাদ্য নিয়ে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষণা ও সফল টেকনোলজি সমন্বয় করার লক্ষ্যে সরকার শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধিনে প্রক্রিয়াজাত খাদ্য অধিদপ্তর তৈরি করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন পল্লী উন্নয়ন একাডেমী, বগুড়ার মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) খলিল আহমদ।
মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) বাস্তবায়নাধীন ক্ষুদ্র পরিসরে কৃষিপণ্য ব্যবসা ও ভ্যালু চেইন উন্নয়নের মাধ্যমে কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে ‘Seminar on Awareness Build-up for Processed Food’ শীর্ষক ওয়েবনিয়ারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
পল্লী উন্নয়ন একাডেমী আয়োজনে ওয়েবনিয়ারে সার্ক অঞ্চলের ১৩০ জন উপকারভোগী, একাডেমী'র অনুষদ সদস্য, দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানী ও সেকেন্ডারি উপকারভোগীরা সক্রিয় অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য প্রযুক্তি ও গ্রামীণ শিল্প বিভাগের অধ্যাপক ড. ম. গুলজারুল আজিজ। তিনি বলেন, মানুষ দৈনিক খাবারের ৯৫ শতাংশই কোন না কোন ভাবে প্রক্রিয়াজাতকরণ খাবার। এসময় তিনি খাদ্যের ভাল মন্দ দিক নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে পল্লী উন্নয়ন একাডেমী'র পরিচালক ড. সমীর কুমার সরকারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সার্ক কৃষি কেন্দ্র, ঢাকা এর পরিচালক ড. মো. বক্তীয়ার হোসেন এবং সার্ক প্রকল্প সমন্বয়ক ও সিনিয়র টেকনিক্যাল কোর্ডিনেটর ড. মো. ইউনুস আলী।
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ড. বক্তীয়ার হোসেন তার বক্তব্যে প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের প্রশংসা ও কাঠালের জুস তৈরির উপর গুরুত্ব দেন।
ড. সমীর প্রত্যাশা করেন দেশে কৃষকদল গঠন করে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াজাত ফ্যাক্টরি গড়া সম্ভব হলে দেশে ভেজাল খাদ্যের পরিমান যেমন কমে যাবে অন্যদিকে কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন ঘটবে।
সেমিনার পরিচালক হিসেবে মাকছুদ আলম খান (পরিচালক) ও সমন্বয়ক হিসেবে প্রকল্প ফোকাল পার্সোন মনিরুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করেন। সেমিনারে সমাপনী বক্তব্য দেন একাডেমী'র প্রশিক্ষণ বিভাগের পরিচালক প্রকৌশলী ফেরদৌস হোসেন খান।
উল্লেখ্য, সার্ক ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের অর্থায়নে প্রকল্পটি বাংলাদেশসহ সার্কভূক্ত পাঁচটি দেশে এক যোগে বাস্তবায়িত হচ্ছে।