
ভারত থেকে আমদানি অব্যাহত থাকায় এবং দেশীয় কাঁচামরিচের সরবরাহ বাড়ায় দিনাজপুরের হিলিতে দুদিনের ব্যবধানে দাম অর্ধেকে নেমেছে। দুদিন আগেও হিলি বাজারে প্রতি কেজি দেশীয় কাঁচামরিচ ১৫০-১৬০ টাকা বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৭৫-৮০ টাকা। এছাড়া হিলি স্থলবন্দরে ভারত থেকে আমদানীকৃত প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে, যা আগে ছিল ৯০-১০০ টাকা। এদিকে দাম কমায় খুশি নিম্ন আয়ের মানুষসহ বন্দরে কাঁচামরিচ কিনতে আসা পাইকাররা।
হিলি স্থলবন্দরের কাঁচামরিচ আমদানিকারক আনোয়ার হোসেন বলেন, সরবরাহ কমায় দেশের বাজারে কাঁচামরিচের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকায় কাঁচামরিচের দাম। এ অবস্থায় দাম নিয়ন্ত্রণে ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি দিলে এরপর থেকেই বন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানি অব্যাহত রেখেছেন বন্দরের আমদানিকারকরা। কিন্তু বর্তমানে ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি করে লোকশান গুনতে হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাঁচামরিচের উৎপাদন ভালো হওয়ায় বাজারে কাঁচামরিচের সরবরাহ আগের তুলনায় বেড়েছে। যার কারণে মোকামগুলোয় কাঁচামরিচের দাম অনেকটা কমে এসেছে। বর্তমানে দেশীয় কাঁচামরিচ ৫০ টাকায় নেমে এসেছে। এতে দেশের বাজারে আমদানীকৃত কাঁচামরিচের চাহিদা কমায় আমাদের লোকশান করে বিক্রি করতে হচ্ছে। দুদিন আগে যে কাঁচামরিচ ৯০-১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, বর্তমানে তা ৫০ টাকা। যেখানে এক কেজি কাঁচামরিচ আমদানিতে শুল্ক পরিশোধ করতে হচ্ছে ২৮ টাকা। এ কারণে ভারত থেকে আমদানীকৃত কাঁচামরিচ বন্দরে এসে পড়তা পড়ছে ৯০ টাকার ওপরে।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, বন্দর দিয়ে ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। তবে আমদানি আগের তুলনায় কিছুটা কম হচ্ছে। আগে ১৫-২০ ট্রাক হলেও তা কমে গেছে। চলতি সপ্তাহের প্রথম দিন গতকাল শনিবার বন্দর দিয়ে পাঁচটি ট্রাকে ১৩ টন কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছে।