www.agribarta.com:: কৃষকের চোখে বাংলাদেশ
শিরোনাম:

আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং

উপকূলে ৯ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস


 এগ্রিবার্তা ডেস্ক    ২৫ অক্টোবর ২০২২, মঙ্গলবার, ১০:৫৪   প্রাণিসম্পদ বিভাগ


বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং উপকূলে আঘাত হেনেছে। ভোলার কাছ দিয়ে গতকাল রাত ৯টার দিকে বরিশাল ও চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম শুরু করে প্রবল এ ঘূর্ণিঝড়। আর উপকূল স্পর্শের সঙ্গে সঙ্গেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এর প্রভাব পড়তে শুরু করে। ঝড়ো বাতাসের সঙ্গে ঝরে বৃষ্টি। উপকূলীয় জেলা নোয়াখালী, ভোলা, বরিশাল ও কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় ৯ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসও দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে গাছচাপায় ও ডাল পড়ে কুমিল্লা, ভোলা, বরগুনা ও নড়াইলে প্রাণ হারিয়েছেন সাতজন। ঘূর্ণিঝড়ের পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ ও তদারকি করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্ভাব্য দুর্যোগে মানুষের জীবন ও সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দিচ্ছেন। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে দেশের উপকূলের অন্তত ১৩টি জেলা বেশি ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনা বিভাগের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আজ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন সব দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করে সার্বক্ষণিক কর্মস্থলে থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি কমানোর লক্ষ্যে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে উপকূলীয় ২১টি জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয় বিতরণ কোম্পানিগুলো। ফলে বিদ্যুত্হীন হয়ে পড়ে দুই কোটির বেশি জনগোষ্ঠী। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে মোবাইল যোগাযোগও।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা ধমকা ও ঝড়ো হাওয়া আকারে ৮২ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে মোংলা, পায়রা ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপত্সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এমনকি খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, বরিশাল, ঝালকাঠি, ভোলা, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, বরগুনা, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর ও নোয়াখালী জেলা এবং ওই এলাকার দ্বীপ ও চরগুলোকেও ৭ নম্বর বিপত্সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আর এসব এলাকায় ভারী বর্ষণসহ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮৮ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এদিকে কক্সবাজার উপকূল এবং সেখানকার চর ও দ্বীপগুলোকে দেখাতে বলা হয়েছে ৬ নম্বর বিপত্সংকেত। এসব এলাকায় ভারী বর্ষণসহ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭৫ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যান্য এলাকায় ভারী বর্ষণসহ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন বলেন, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের অগ্রভাগ সন্ধ্যায় উপকূল স্পর্শ করে। ভোররাতের দিকে এর প্রভাব ক্রমেই কমে যাবে। তবে দেশের উপকূলে এবং অন্যান্য অঞ্চলেও মঙ্গলবার বৃষ্টি হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান ভূইয়া জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়টি সন্ধ্যায় উপকূল স্পর্শ করার সঙ্গে সঙ্গে প্রবল ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হয়। সেই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় জলোচ্ছ্বাস হয়। এর মধ্যে রাত ৯টার দিকে ভোলা, বরগুনা ও নোয়াখালী উপকূলে ৯ ফুট বা ৩ মিটার উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হয়। মধ্যরাতে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্র উপকূল অতিক্রম করবে। সে পর্যন্ত জলোচ্ছ্বাস বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আবহাওয়াবিদরা জানান, ঘূর্ণিঝড়ের সময় অমাবস্যা থাকায় জোয়ারের উচ্চতা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি হয়েছে। এ কারণে দেশের উপকূলের বেশির ভাগ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা আছে। এর সঙ্গে ভারী বৃষ্টি যুক্ত হওয়ায় দেশের উপকূলের সব ক’টি জেলায় স্বল্পস্থায়ী বন্যা হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় দেশের উপকূলের ১৫টি জেলার নদীবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে দেশের উপকূলের অন্তত ১৩টি জেলা বেশি ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বলে গতকাল জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান। জেলাগুলো হলো সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, বরগুনা, ঝালকাঠি, ভোলা, পটুয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও বরিশাল।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে সোমবার ভোররাত থেকে সারা দিনই রাজধানীতে বৃষ্টি ঝরেছে। সকালে যারা অফিস কিংবা ব্যবসার কাজে বের হয়েছেন, শুরুতেই তারা পড়েছেন পরিবহন সংকটে। সড়কে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। চট্টগ্রাম বন্দরে বিকাল থেকেই বন্ধ করে দেয়া হয় পণ্য খালাস কার্যক্রম। এর আগে সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তর বিপত্সংকেত জারির পর বন্দরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মাত্রার সতর্কতা ‘অ্যালার্ট-৩’ জারি করা হয়। এ সতর্কতা অনুযায়ী, জেটি থেকে সব জাহাজের নিরাপত্তায় সাগরে পাঠিয়ে দেয়ার পদক্ষেপ নেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দর সচিব ওমর ফারুক  বলেন, জেটি থেকে ১৮টি জাহাজ সাগরে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানো-নামানো বন্ধ হয়ে যায়। যন্ত্রপাতি ও কনটেইনার পণ্যের সুরক্ষায় এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এছাড়া জলোচ্ছ্বাস হলেও যাতে ছাউনিতে পানি প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য বন্দরে পণ্য রাখার ছাউনি সুরক্ষিত করা হচ্ছে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়-পরবর্তী জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তায় চট্টগ্রাম, খুলনা ও মোংলা নৌ অঞ্চলে মোতায়েনের জন্য নৌবাহিনী সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। সেই সঙ্গে দুটি মেরিটাইম প্যাট্রোল এয়ারক্রাফট ও দুটি হেলিকপ্টারও তৈরি। সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় দ্রুততম সময়ে জরুরি উদ্ধার, ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তায় ১৭টি জাহাজ ত্রাণসামগ্রীসহ প্রস্তুত বলে জানানো হয়। দুর্গত এলাকাগুলোতে মোতায়েনের জন্য নৌ-কন্টিনজেন্ট প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার হেসাখাল বাজার ইউনিয়নে ঘরের ওপর গাছ পড়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন ওই এলাকার নিজাম উদ্দিন, তার স্ত্রী ও তাদের কন্যাশিশু। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রায়হান মেহেবুব এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ভোলায় গাছচাপায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরো পাঁচজন। এদের মধ্যে একজন হচ্ছেন দৌলতখান পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত গোলাম মোস্তফার স্ত্রী বিবি খাদিজা (৮০)। স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিবি খাদিজা ও তার পরিবারের লোকজন ঘরের মধ্যে বসে ছিলেন। তীব্র বাতাসে একটি গাছ ঘরের ওপর পড়ে। স্থানীয়রা ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করে দৌলতখান হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বিবি খাদিজাকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে চরফ্যাশন উপজেলার চেয়ারম্যান বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী মো. মনির (৩০) বাড়ি যাওয়ার পথে গাছের নিচে চাপা পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন।

ঘূর্ণিঝড়ের সময় গাছের চাপায় রাত ৮টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার সোনাখালী এলাকায় আমেনা খাতুন নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। মৃতের স্বজনরা জানান, আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে ঘরে বসে ভাত খাচ্ছিলেন আমেনা খাতুন। এ সময় ঘরের পাশে থাকা একটি চাম্বল গাছ উপড়ে তার ঘরের ওপর পড়ে। এতে চাপা পড়লে স্বজনরা তাকে মৃত অবস্থায় ঘরের নিচ থেকে উদ্ধার করেন। ভারী বর্ষণে নড়াইলের লোহাগড়ায় গাছের ডাল পড়ে মর্জিনা বেগম নামের একজন গৃহপরিচারিকার মৃত্যু হয়েছে বলে লোহাগড়া থানার ওসি মো. নাসিরউদ্দিন নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় আইলা, সিডর ও আম্পানের পরে আবারো সিত্রাংয়ের আঘাতে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে রীতিমতো আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে খুলনা উপকূলবাসী। ঘূর্ণিঝড় আর জলোচ্ছ্বাস হলে যে কয়টা জনপদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, খুলনার কয়রা তার অন্যতম। এর আগে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আইলায় সর্বস্ব হারানো এখানকার অনেকেই এখনো খুঁজে ফিরছে স্থায়ী নিবাস। আবার অনেকেই আবাস হিসেবে বেছে নিয়েছে বেড়িবাঁধের কিনার।

কয়রা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম শফিকুল ইসলাম বলেন, ঝড়ের চেয়ে আমাদের সবচেয়ে বড় ভয় বেড়িবাঁধ। আগে থেকে ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ কোনো রকমে টিকে আছে। নদীর পানি বাড়লেই বিভিন্ন অংশে ভাঙন তৈরি হয়। সরকার নতুন করে এখানে টেকসই বাঁধ নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ দিলেও কাজ শুরু হয়নি। হরিণখোলা ও গাতিরঘেরীর বাঁধে ভাঙন দেখা দেয়ায় স্থানীয়দের নি?য়ে বাঁধ মেরামতের কাজ চলছে। উপজেলার হোগলা, দোশহালিয়া, মদিনাবাদ লঞ্চঘাট, ঘাটাখালী, গাববুনিয়া, আংটিহারা, ৪নং কয়রা সুতির গেট ও মঠবাড়ির পবনা পর্যন্ত বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।

কয়রা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি বিদেশ রঞ্জন মৃধা বলেন, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি আমাদের বহুদিনের। ঘূর্ণিঝড় আইলার পর থেকেই এ দাবিতে আমরা সোচ্চার ছিলাম। কিন্তু বেড়িবাঁধ নির্মাণের আশ্বাসেই পার হয়েছে এক যুগ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় বেড়িবাঁধ রয়েছে মোট ১ হাজার ৯১০ কিলোমিটার। ষাটের দশকে মাটি দিয়ে তৈরি এসব বাঁধ ছিল ১৪ ফুট উঁচু ও ১৪ ফুট চওড়া। এখন ২৪০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের উচ্চতা ও চওড়ার অর্ধেকও অবশিষ্ট নেই। ত?বে স্থানীয়?দের ভাষ্য, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধের পরিমাণ আরো বেশি। খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম বলেন, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে জোয়ারের পানির উচ্চতা ও চাপে অনেক স্থানের দুর্বল বাঁধ ভেঙে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। তবে যেকোনো দুর্ঘটনা মোকাবেলায় আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে।

এদিকে রোববার রাত থেকে হওয়া ভারী বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় আমন ধানের খেত তলিয়ে গেছে বলে জাানিয়েছেন খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, বৃষ্টি পরে আসায় এবার আমন ধান লাগানো হয়েছে প্রায় এক মাস পরে। যদি আরো বেশি বৃষ্টি হয় এবং দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকে তাহলে ক্ষতির আশঙ্কা থেকেই যাবে।

খুলনার জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের বিশেষ করে কয়রা, পাইকগাছা ও দাকোপের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। ওইসব উপজেলায় চলছে মাইকিং। যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে তাদের যাতে নিরাপদে সরিয়ে নেয়া যায় সেজন্য নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। জেলার ২ লাখ ৭৩ হাজার ৮৫০ জনের জন্য ৪০৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

 




  এ বিভাগের অন্যান্য