
বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতির মুরগি নিয়ে ব্যতিক্রমী একটি খামার গড়ে তুলেছেন রাজবাড়ীর যুবক জাহাঙ্গীর হোসেন। তার খামারে ৪০টি বিদেশী জাতের দুই শতাধিক মুরগি রয়েছে। এর মাধ্যমে একদিকে তিনি যেমন স্বনির্ভর হয়েছেন, অন্যদিকে দারিদ্র্যকে পেছনে ফেলে সংসারে সচ্ছলতা আনতেও সক্ষম হয়েছেন। তার খামারের বিভিন্ন জাতের মুরগি দেখতে প্রতিদিনই ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, পাবনাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অসংখ্য দর্শনার্থী ভিড় করছে। আসছেন খামারি ও নতুন নতুন উদ্যোক্তাও।
দারিদ্র্যের কারণে সপ্তম শ্রেণীর পর লেখাপড়া বন্ধ রাখতে বাধ্য হন জাহাঙ্গীর হোসেন। একসময় ভেবেছিলেন সংসারের সচ্ছলতা আনতে দালালের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে পাড়ি জমাবেন। কিন্তু আত্মনির্ভরশীল হওয়ার ইচ্ছা থেকেই ঘুরে দাঁড়ান তিনি। ২০১৬ সালে ভারতে গিয়ে সেখানে বিদেশী প্রজাতির মুরগি লালন-পালন পর্যবেক্ষণ করেন। দেশে ফিরে নিজেই বিভিন্ন প্রজাতির মুরগির খামার গড়ে তুলতে উদ্যোগী হন। এরই ধারাবাহিকতায় বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতির মুরগি সংগ্রহ করতে শুরু করেন। এর জন্য তাকে পাড়ি জমাতে হয় মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, ভুটান ও ভারতের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। সংগ্রহ করেছেন প্যারোডা, ফাইটার, সুমাত্রাসহ ৪০ জাতের মুরগি।
এ সম্পর্কে খামারি জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমার ইচ্ছে রয়েছে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জাতের বিদেশী মুরগির সংগ্রহকারী হিসেবে গিনেস বুকে নাম লেখানোর। সরকার যদি আমাকে বিদেশ থেকে বিদেশী জাতের মুরগি আমদানির অনুমতি দেয় তাহলে আমি আরো বেশি বিদেশী মুরগি সংগ্রহ করতে পারব।